জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী সারজিস আলমেরহলফনামা ও আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা আয়ের তথ্যে বড়ধরনের গড়মিল ধরা পড়েছে। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমাদেওয়া নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার ঘোষিত আয়েরমধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে।
পঞ্চগড়-১ আসনের এই প্রার্থী তার হলফনামায় পেশাহিসেবে ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি বার্ষিকআয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা। তবে ২০২৫-২৬ করবর্ষেরজন্য জমা দেওয়া আয়কর রিটার্নে তার আয় উল্লেখ করাহয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামায় ঘোষিতআয়ের চেয়ে তিন গুণেরও বেশি। একই ব্যক্তির আয়েরবিষয়ে দুই ধরনের তথ্য দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কোনো অনুসন্ধানেযাবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে দুদকের মহাপরিচালকআক্তার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে আমার নির্দিষ্টভাবে জানানেই। যদি এ সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা তথ্যকমিশনে এসে থাকে, তাহলে দুর্নীতি দমন আইন ওবিধিমালা অনুসরণ করে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াহবে।
এর আগে গত সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছি, আপনারা নিজেরা পরীক্ষা করুন। যদি কোনো সম্পদ বিবরণী সন্দেহজনক মনে হয়, তাহলে আমাদের অবগত করুন। একই সঙ্গে আমার সাংবাদিক ভাইদের প্রতিও অনুরোধ, যদি কোথাও বড় ধরনের কারচুপি বা অসঙ্গতির প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তা সামনে আনুন।
তিনি বলেন, দুদকের আইনগত সীমাবদ্ধতা থাকলেওসুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে সংস্থাটি বিষয়গুলো খতিয়েদেখবে। প্রয়োজনে এই সময়টাতে দুদকের অন্যান্য কার্যক্রমকিছুটা কমিয়ে হলেও হলফনামা সংক্রান্ত যাচাই-বাছাইয়েরকাজ চালিয়ে যাওয়া হবে।
ডিএস./
























