০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধকে ইশতেহার করলে ঠাঁই হবে আস্তাকুঁড়ে: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত বিষয় স্বীকার করে না এবং মুক্তিযুদ্ধকে নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে ব্যবহার করে; তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ও ৭ মার্চ স্বাধীনতার সত্যিকারের ঘোষণা, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের সংগ্রামের ঘোষণা হিসেবে সর্বাত্মক স্বীকৃত। সেই দিবস এবং যারা মুজিনগর দিবস পালন করে না তাদের রাজনীতি হচ্ছে ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়গুলোকে অস্বীকার করা।

তিনি বলেন, আমরা বারবার লক্ষ্য করছি, বাংলাদেশের বড় একটি দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে না। যারা নির্বাচন এলে মুক্তিযুদ্ধকে লোক দেখানো হিসেবে ব্যবহার করে। তাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কতটা কমিটমেন্ট আছে, বিষয়টা নিয়ে আমাদের একটা সংশয় ও প্রশ্ন থেকে যায়। যাদের কাছে এসব দিবসের গুরুত্ব নেই তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থাকতে পারে না।

দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুল মতিন খসরু প্রমুখ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, ডেঙ্গুমুক্ত নওগাঁ গড়ি; সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন

মুক্তিযুদ্ধকে ইশতেহার করলে ঠাঁই হবে আস্তাকুঁড়ে: কাদের

প্রকাশিত : ১২:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের মীমাংসিত বিষয় স্বীকার করে না এবং মুক্তিযুদ্ধকে নির্বাচনী ইশতেহার হিসেবে ব্যবহার করে; তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ও ৭ মার্চ স্বাধীনতার সত্যিকারের ঘোষণা, যা বাঙালি জাতীয়তাবাদের সংগ্রামের ঘোষণা হিসেবে সর্বাত্মক স্বীকৃত। সেই দিবস এবং যারা মুজিনগর দিবস পালন করে না তাদের রাজনীতি হচ্ছে ইতিহাসের মীমাংসিত বিষয়গুলোকে অস্বীকার করা।

তিনি বলেন, আমরা বারবার লক্ষ্য করছি, বাংলাদেশের বড় একটি দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে না। যারা নির্বাচন এলে মুক্তিযুদ্ধকে লোক দেখানো হিসেবে ব্যবহার করে। তাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কতটা কমিটমেন্ট আছে, বিষয়টা নিয়ে আমাদের একটা সংশয় ও প্রশ্ন থেকে যায়। যাদের কাছে এসব দিবসের গুরুত্ব নেই তাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থাকতে পারে না।

দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, আব্দুল মতিন খসরু প্রমুখ।