০১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ব্যাংক খাত এতিম অবস্থায়: সিপিডি

সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ব্যাংক খাতে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন, এ খাত বর্তমানে এতিম অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় বাজেট ২০১৭-১৮ উপলক্ষে সিপিডির সুপারিশমালা শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও আয় এই চারটির মধ্য সামঞ্জস্য আছে কি না দেখতে হবে। সামঞ্জস্য না থাকলে বুঝতে হবে সমস্যা আছে। আমরা দেখছি দেশে কর্মসংস্থান বাড়লেও আয় কমছে। অর্থাৎ দেশ আয়হীন কর্মসংস্থানে পরিণত হয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশ এখন কর্মসংস্থানহীন, প্রবৃদ্ধির ধারা থেকে বেরিয়ে আয়হীন কর্মসংস্থানের দিকে এগুচ্ছে। কিন্তু ব্যাংকের রক্ষকরাই ভক্ষক হিসেবে কাজ করছে। ফলে আমাদের অর্থনীতি এখন একটা ভ্রমের মধ্যে রয়েছে। এমন অবস্থায় চলতি অর্থবছর শেষে রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়াবে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

তিনি বলেন, মুদ্রানীতিতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ধরা হলো ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু বিতরণ হয়েছে ১৮ শতাংশের বেশি। অথচ বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির অবস্থায় রয়েছে। তাহলে টাকা গেল কোথায়? ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ না বাড়ায় আয়হীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মুদ্রানীতি ঘোষণার কিছু দিন পর আবার সিআরআর কমানো হয়েছে। আপনি নিজের ঘোষিত মুদ্রানীতি যদি না মানেন, তার অর্থ হচ্ছে আপনি বিকলাঙ্গ ব্যাংকিং ব্যবস্থা সৃষ্টি করেছেন।

এ ছাড়া মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পেছনে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটে সরকারের এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় (৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা) ধরার প্রস্তাব দিয়েছে সিডিপি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

ব্যাংক খাত এতিম অবস্থায়: সিপিডি

প্রকাশিত : ০৪:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ব্যাংক খাতে চরম বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন, এ খাত বর্তমানে এতিম অবস্থায় রয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় বাজেট ২০১৭-১৮ উপলক্ষে সিপিডির সুপারিশমালা শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও আয় এই চারটির মধ্য সামঞ্জস্য আছে কি না দেখতে হবে। সামঞ্জস্য না থাকলে বুঝতে হবে সমস্যা আছে। আমরা দেখছি দেশে কর্মসংস্থান বাড়লেও আয় কমছে। অর্থাৎ দেশ আয়হীন কর্মসংস্থানে পরিণত হয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশ এখন কর্মসংস্থানহীন, প্রবৃদ্ধির ধারা থেকে বেরিয়ে আয়হীন কর্মসংস্থানের দিকে এগুচ্ছে। কিন্তু ব্যাংকের রক্ষকরাই ভক্ষক হিসেবে কাজ করছে। ফলে আমাদের অর্থনীতি এখন একটা ভ্রমের মধ্যে রয়েছে। এমন অবস্থায় চলতি অর্থবছর শেষে রাজস্ব ঘাটতি দাঁড়াবে ৫০ হাজার কোটি টাকা।

তিনি বলেন, মুদ্রানীতিতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ধরা হলো ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু বিতরণ হয়েছে ১৮ শতাংশের বেশি। অথচ বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির অবস্থায় রয়েছে। তাহলে টাকা গেল কোথায়? ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ না বাড়ায় আয়হীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মুদ্রানীতি ঘোষণার কিছু দিন পর আবার সিআরআর কমানো হয়েছে। আপনি নিজের ঘোষিত মুদ্রানীতি যদি না মানেন, তার অর্থ হচ্ছে আপনি বিকলাঙ্গ ব্যাংকিং ব্যবস্থা সৃষ্টি করেছেন।

এ ছাড়া মিডিয়া ব্রিফিংয়ে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পেছনে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটে সরকারের এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় (৮ হাজার ২০০ কোটি টাকা) ধরার প্রস্তাব দিয়েছে সিডিপি।