১১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছেলেকে খুন!

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের ছেলেকে খুন করেছেন পাষণ্ড এক বাবা। রবিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ।

তিনি জানান, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে আউসার (১২) নামের এক শিশু বাড্ডা এলাকায় একটি মুরগির দোকানে কাজ করা অবস্থায় টিউবওয়েলে পানি আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এক পর্যায়ে পর দিন সন্ধ্যায় বাড্ডা থানার পূর্ব পদরদিয়াস্থ একটি ধানক্ষেত থেকে আউসারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল নিহত আউসারের বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাড্ডা থানা পুলিশর তদন্তে নামে। এক পর্যায়ে ২০ এপ্রিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত আবদুল মজিদকে (২৭) বাড্ডার সাতারকুল এলাকায় তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২১ এপ্রিল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয় আবদুল মজিদ।

মোস্তাক আহমেদ জানান, মজিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা পাষণ্ড বাবা জাহিদ ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৫০) গ্রেফতার করা হয়। এ সময় খুনের কাজে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, পরে আউসারের বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে জানান- প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলু ও আব্দুল জলিলের সঙ্গে শত্রুতা ছিল আউসারের বাবা জাহিদের। তাদের ফাঁসাতেই নিজের ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছেলেকে খুন!

প্রকাশিত : ০৪:০০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৮

রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের ছেলেকে খুন করেছেন পাষণ্ড এক বাবা। রবিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগ উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ।

তিনি জানান, গত ১৭ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে আউসার (১২) নামের এক শিশু বাড্ডা এলাকায় একটি মুরগির দোকানে কাজ করা অবস্থায় টিউবওয়েলে পানি আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এক পর্যায়ে পর দিন সন্ধ্যায় বাড্ডা থানার পূর্ব পদরদিয়াস্থ একটি ধানক্ষেত থেকে আউসারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় ১৯ এপ্রিল নিহত আউসারের বাবা বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাড্ডা থানা পুলিশর তদন্তে নামে। এক পর্যায়ে ২০ এপ্রিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত আবদুল মজিদকে (২৭) বাড্ডার সাতারকুল এলাকায় তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ২১ এপ্রিল হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয় আবদুল মজিদ।

মোস্তাক আহমেদ জানান, মজিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা পাষণ্ড বাবা জাহিদ ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৫০) গ্রেফতার করা হয়। এ সময় খুনের কাজে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান, পরে আউসারের বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বেরিয়ে আসে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে জানান- প্রতিবেশী হেলাল উদ্দিন ওরফে হেলু ও আব্দুল জলিলের সঙ্গে শত্রুতা ছিল আউসারের বাবা জাহিদের। তাদের ফাঁসাতেই নিজের ছেলেকে খুন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।