০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভেড়ামারার ফুচকা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

ফুচকা জনপ্রিয় সব প্রজন্মের কাছেই। এশিয়ার সেরা ৫০ টি স্ট্রিট ফুডের তালিকা। ভারত থেকে তালিকায় স্থান পেয়েছে দুটো খাবার পাও ভাজি আর জিলাপি। পাকিস্তানের দুটো খাবার বান কাবাব আর ফালুদা। তবে এই তালিকায় সবচেয়ে প্রত্যাশিত নাম নেপালের মোমো। তাইওয়ানের বাবলটি। ভিয়েতনামের আইসড কফি। শ্রীলঙ্কার হপার্স যেটি আপ্পা। থাইল্যান্ডের স্ক্রাব অমলেট। হংকং এর ফিস বল। এই তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ফুচকা। দেখতে যেমন মুচমুচে খেতেও ততটাই মুখরোচক।

এর ভেতরে যে ফাঁপা গোলক ওখানেই সব মসলা থাকে। একই সঙ্গে টক-ঝাল আর মিষ্টি। গোলকের ভেতরে থাকে আলু আর মটরের পুর, কুচি করে কাটা পেঁয়াজ, শসা, লেবু, ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ, চাট মশলার মিশ্রণ। শেষ সময়ে ডিমের কুচি ছিটিয়ে দেওয়া হয়। সস হিসাবে থাকে তেতুলের পানি। ফুচকার প্লেট হাতে দেখা গেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত এলেক্স বার্গ ফন লিন্ডেকে। তিনি অবশ্য রাস্তার পাশে ফুচকা খাননি। খেয়েছেন রাজধানী বনানীর একটি অভিজাত ফুচকার দোকান থেকে। অভিভাবকদের চোখে অস্বাস্থ্যকর আর কম বয়সীদের প্রিয় খাবার। এই হচ্ছে আমাদের ফুচকা।

নুসরাত জাহান চিহা নামে ০৯ বছর বয়সী মেয়েকে ফুচকা খেতে দেখে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহে তিন চার দিন একবার করে ফুচকা না খেলে ভালোই লাগে না। ফুচকা আমার প্রিয় খাবার। আমাকে যদি আমার বাবা-মা প্রতিদিন ফুচকা খেতে দিত তাহলে আমি খুব খুশি হতাম ও মজা পেতাম।

ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সামনে ফুচকা ব্যবসায়ী মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন আমার দোকানে বিভিন্ন সময়ে কম বেশি লোকজন ফুচকা খেতে আসে। এতে আমার বেচাকেনা অনেক ভালো। ফুচকার ব্যবসা করে আমার সংসার চালানো সহজ হয়ে পড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

ভেড়ামারার ফুচকা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

প্রকাশিত : ১২:৪২:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২

ফুচকা জনপ্রিয় সব প্রজন্মের কাছেই। এশিয়ার সেরা ৫০ টি স্ট্রিট ফুডের তালিকা। ভারত থেকে তালিকায় স্থান পেয়েছে দুটো খাবার পাও ভাজি আর জিলাপি। পাকিস্তানের দুটো খাবার বান কাবাব আর ফালুদা। তবে এই তালিকায় সবচেয়ে প্রত্যাশিত নাম নেপালের মোমো। তাইওয়ানের বাবলটি। ভিয়েতনামের আইসড কফি। শ্রীলঙ্কার হপার্স যেটি আপ্পা। থাইল্যান্ডের স্ক্রাব অমলেট। হংকং এর ফিস বল। এই তালিকায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ফুচকা। দেখতে যেমন মুচমুচে খেতেও ততটাই মুখরোচক।

এর ভেতরে যে ফাঁপা গোলক ওখানেই সব মসলা থাকে। একই সঙ্গে টক-ঝাল আর মিষ্টি। গোলকের ভেতরে থাকে আলু আর মটরের পুর, কুচি করে কাটা পেঁয়াজ, শসা, লেবু, ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ, চাট মশলার মিশ্রণ। শেষ সময়ে ডিমের কুচি ছিটিয়ে দেওয়া হয়। সস হিসাবে থাকে তেতুলের পানি। ফুচকার প্লেট হাতে দেখা গেছে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত এলেক্স বার্গ ফন লিন্ডেকে। তিনি অবশ্য রাস্তার পাশে ফুচকা খাননি। খেয়েছেন রাজধানী বনানীর একটি অভিজাত ফুচকার দোকান থেকে। অভিভাবকদের চোখে অস্বাস্থ্যকর আর কম বয়সীদের প্রিয় খাবার। এই হচ্ছে আমাদের ফুচকা।

নুসরাত জাহান চিহা নামে ০৯ বছর বয়সী মেয়েকে ফুচকা খেতে দেখে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহে তিন চার দিন একবার করে ফুচকা না খেলে ভালোই লাগে না। ফুচকা আমার প্রিয় খাবার। আমাকে যদি আমার বাবা-মা প্রতিদিন ফুচকা খেতে দিত তাহলে আমি খুব খুশি হতাম ও মজা পেতাম।

ভেড়ামারা প্রেসক্লাবের সামনে ফুচকা ব্যবসায়ী মোঃ জালাল উদ্দিন বলেন, প্রতিদিন আমার দোকানে বিভিন্ন সময়ে কম বেশি লোকজন ফুচকা খেতে আসে। এতে আমার বেচাকেনা অনেক ভালো। ফুচকার ব্যবসা করে আমার সংসার চালানো সহজ হয়ে পড়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব