০৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সহমত দুই কোরিয়া

কোরীয় দ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সহমত জানিয়েছেন দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তারা কোরীয় দ্বীপে একসঙ্গে কাজ করার প্রতি সম্মতি জানান। কোরীয় দ্বীপে আর কোনো যুদ্ধ হবে না। এখান থেকেই শান্তির নতুন সূচনা হলো।

শুক্রবার সীমান্তে দু’দেশের প্রেসিডেন্টের ঐতিহাসিক বৈঠকের পর এক যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানানো হয়।

উত্তর কোরিয়ার নেতা হিসেবে এই প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ার মাটিতে পা রেখেছেন কিম জং-উন। তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কোরীয় যুদ্ধ-পরবর্তী ৬৫ বছরে সামরিক সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেছেন তিনি। সেখানে তাকে স্বাগত জানান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা-ইন।

এরপর একটি নীল ফুটওভার ব্রিজে বসে গোশগল্পে মেতে ওঠেন তারা। সে সময় তাদের আশেপাশে আর কেউ ছিল না। গাছের ছায়ার নিচে চা পান করতে করতে দু’জনকে বেশ অন্তরঙ্গভাবে আলাপ করতে দেখা যায়। চারপাশে পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে।

তাদের ওই বৈঠকের পরই এক বিবৃতিতে দুই নেতার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে সম্মতির কথা জানানো হয়।

>>দক্ষিণে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সহমত দুই কোরিয়া

প্রকাশিত : ০৩:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

কোরীয় দ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে সহমত জানিয়েছেন দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তারা কোরীয় দ্বীপে একসঙ্গে কাজ করার প্রতি সম্মতি জানান। কোরীয় দ্বীপে আর কোনো যুদ্ধ হবে না। এখান থেকেই শান্তির নতুন সূচনা হলো।

শুক্রবার সীমান্তে দু’দেশের প্রেসিডেন্টের ঐতিহাসিক বৈঠকের পর এক যৌথ ঘোষণায় এ কথা জানানো হয়।

উত্তর কোরিয়ার নেতা হিসেবে এই প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ার মাটিতে পা রেখেছেন কিম জং-উন। তিনি ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। কোরীয় যুদ্ধ-পরবর্তী ৬৫ বছরে সামরিক সীমান্ত পেরিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেছেন তিনি। সেখানে তাকে স্বাগত জানান দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা-ইন।

এরপর একটি নীল ফুটওভার ব্রিজে বসে গোশগল্পে মেতে ওঠেন তারা। সে সময় তাদের আশেপাশে আর কেউ ছিল না। গাছের ছায়ার নিচে চা পান করতে করতে দু’জনকে বেশ অন্তরঙ্গভাবে আলাপ করতে দেখা যায়। চারপাশে পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে ওঠে।

তাদের ওই বৈঠকের পরই এক বিবৃতিতে দুই নেতার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে সম্মতির কথা জানানো হয়।

>>দক্ষিণে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম