০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রথমবারের মতো যুদ্ধের মহড়ায় ভারত-পাকিস্তান-চীন!

ভারত ও পাকিস্তান প্রথমবারের মতো চলতি বছরে যুদ্ধের মহড়ায় এক সাথে অংশ নিতে যাচ্ছে। এবার দু’দেশের সেনাবাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের মহড়া করবে। ওই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে চীনও। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের অধীনে ওই মহড়ায় অংশ নেবে একাধিক দেশ।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ায় হবে সেই মহড়া। ওই সংস্থার সদস্য সব দেশই সেখানে অংশ নিতে পারবে। সরাসরি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এসসিও-র অধিকাংশ দেশগুলোর সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ভারতের। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে চাই আমরা।

সামরিক মহড়ায় এই প্রথমবার অংশ নিতে চলেছে দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোও। গতবছরই এসসিও-তে সদস্য হয়েছে পাকিস্তান ও ভারত। এই সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে চীন ও রাশিয়া। সেনা মহড়ায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানও। এদিকে, স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার ভারত ও পাকিস্তান কোন একটি সেনা মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। যদিও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাবাহিনীতে একই সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে দুই দেশের সেনারা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রথমবারের মতো যুদ্ধের মহড়ায় ভারত-পাকিস্তান-চীন!

প্রকাশিত : ০৭:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৮

ভারত ও পাকিস্তান প্রথমবারের মতো চলতি বছরে যুদ্ধের মহড়ায় এক সাথে অংশ নিতে যাচ্ছে। এবার দু’দেশের সেনাবাহিনী কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধের মহড়া করবে। ওই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে চীনও। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের অধীনে ওই মহড়ায় অংশ নেবে একাধিক দেশ।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ায় হবে সেই মহড়া। ওই সংস্থার সদস্য সব দেশই সেখানে অংশ নিতে পারবে। সরাসরি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এসসিও-র অধিকাংশ দেশগুলোর সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক ভারতের। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে চাই আমরা।

সামরিক মহড়ায় এই প্রথমবার অংশ নিতে চলেছে দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোও। গতবছরই এসসিও-তে সদস্য হয়েছে পাকিস্তান ও ভারত। এই সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে চীন ও রাশিয়া। সেনা মহড়ায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পাকিস্তানও। এদিকে, স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার ভারত ও পাকিস্তান কোন একটি সেনা মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। যদিও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষাবাহিনীতে একই সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে দুই দেশের সেনারা।