০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদন্ড

খুলনার সোনাডাঙ্গার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ মামল‌য় ৬ জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই স‌ঙ্গে তা‌দের ২০ হাজার টাকা করে জ‌রিমানা দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। এছাড়া চারজনকে ৮ বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনন ট্রাইব‌্যুনাল ৩ এর বিচারক আঃ ছালাম খান এ রায় ঘোষণা ক‌রেন। রা‌য়ের বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন ওই আদালতের রাষ্ট্রপ‌ক্ষের আইনজীবী স্পেশাল (পি‌পি) ফ‌রিদ আহমেদ।
মত‌্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, মোরশেদুল ইসলাম শান্ত ওরফে শান্ত বিশ্বাস (পলাতক), শেখ শাহাদাত হোসেন (পলাতক), মোঃ রা‌ব্বি হাসান পরশ, মোাঃ মাহামুদ হাসান আকাশ, কজী আ‌রিফুল ইসলাম প্রীতম(পলাতক) ও মোঃ মিম হোসেন।
মামলার এজহা‌রে ব‌র্ণিত সূত্রে জানা গে‌ছে, ঘটনার দুই‌দিন আ‌গে আসা‌মি মোর‌শেদুল ইসলাম শান্তর সা‌থে ভিক‌টি‌মের প‌রিচয় হয়। ওই সূত্র ধ‌রে আসা‌মি ২০১৯ সা‌লের ২৯ জুন বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মোবাইল ফো‌নের মধ‌্যমে ভিক‌টিমকে ডেকে নেয় শান্ত।
সাহেবের কবর খানায় উভয় এক সাথে মি‌লিত হয়। সেখান থে‌কে ভিক‌টিম‌কে নেওয়া হয় মামলার অপর আসা‌মি নুরুন্নবীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন বিহারী ক‌লোনীর ভাড়া বা‌ড়িতে। পরে ভিক‌টিম‌কে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে শান্ত। শান্তর ভি‌ডিও‌টি ধারণ ক‌রে উপি‌স্থিত অন‌্যান‌্যর। প‌রে ভিক‌টিম‌কে ধারণকৃত ওই ভি‌ডি‌ওটি দেখিয়ে ভয়ভী‌তি দিয়ে অন‌্যান‌্যরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ধর্ষণ শে‌ষে আসা‌মিরা ভিক‌টিম‌কে প্রাণনাশের হুম‌কি দিয়ে সন্ধ‌্যার দিকে ছেড়ে দেয়। প‌রে ঘটনা‌টি ভিক‌টিম বড়‌বোনকে খুলে বলে। তাকে খুলনা মে‌ডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ‌র্তি করা হয়। ঘটনার পরেরদিন বড়বোন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় ৯ জন আসা‌মির নাম উল্লেখ মামলা দা‌য়ের ক‌রেন, য়ার নং ২২। একই বছ‌রের ১৩ ন‌ভেম্বর ১০ জন আসা‌মির নাম উ‌ল্লেখ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ মমতাজুল হক আদাল‌তে অ‌ভি‌যোগপত্র দা‌খিল ক‌রেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

খুলনায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদন্ড

প্রকাশিত : ০৩:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২

খুলনার সোনাডাঙ্গার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ মামল‌য় ৬ জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই স‌ঙ্গে তা‌দের ২০ হাজার টাকা করে জ‌রিমানা দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। এছাড়া চারজনকে ৮ বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনন ট্রাইব‌্যুনাল ৩ এর বিচারক আঃ ছালাম খান এ রায় ঘোষণা ক‌রেন। রা‌য়ের বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন ওই আদালতের রাষ্ট্রপ‌ক্ষের আইনজীবী স্পেশাল (পি‌পি) ফ‌রিদ আহমেদ।
মত‌্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, মোরশেদুল ইসলাম শান্ত ওরফে শান্ত বিশ্বাস (পলাতক), শেখ শাহাদাত হোসেন (পলাতক), মোঃ রা‌ব্বি হাসান পরশ, মোাঃ মাহামুদ হাসান আকাশ, কজী আ‌রিফুল ইসলাম প্রীতম(পলাতক) ও মোঃ মিম হোসেন।
মামলার এজহা‌রে ব‌র্ণিত সূত্রে জানা গে‌ছে, ঘটনার দুই‌দিন আ‌গে আসা‌মি মোর‌শেদুল ইসলাম শান্তর সা‌থে ভিক‌টি‌মের প‌রিচয় হয়। ওই সূত্র ধ‌রে আসা‌মি ২০১৯ সা‌লের ২৯ জুন বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মোবাইল ফো‌নের মধ‌্যমে ভিক‌টিমকে ডেকে নেয় শান্ত।
সাহেবের কবর খানায় উভয় এক সাথে মি‌লিত হয়। সেখান থে‌কে ভিক‌টিম‌কে নেওয়া হয় মামলার অপর আসা‌মি নুরুন্নবীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন বিহারী ক‌লোনীর ভাড়া বা‌ড়িতে। পরে ভিক‌টিম‌কে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে শান্ত। শান্তর ভি‌ডিও‌টি ধারণ ক‌রে উপি‌স্থিত অন‌্যান‌্যর। প‌রে ভিক‌টিম‌কে ধারণকৃত ওই ভি‌ডি‌ওটি দেখিয়ে ভয়ভী‌তি দিয়ে অন‌্যান‌্যরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
ধর্ষণ শে‌ষে আসা‌মিরা ভিক‌টিম‌কে প্রাণনাশের হুম‌কি দিয়ে সন্ধ‌্যার দিকে ছেড়ে দেয়। প‌রে ঘটনা‌টি ভিক‌টিম বড়‌বোনকে খুলে বলে। তাকে খুলনা মে‌ডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভ‌র্তি করা হয়। ঘটনার পরেরদিন বড়বোন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় ৯ জন আসা‌মির নাম উল্লেখ মামলা দা‌য়ের ক‌রেন, য়ার নং ২২। একই বছ‌রের ১৩ ন‌ভেম্বর ১০ জন আসা‌মির নাম উ‌ল্লেখ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সোনাডাঙ্গা থানার অ‌ফিসার ইনচার্জ মমতাজুল হক আদাল‌তে অ‌ভি‌যোগপত্র দা‌খিল ক‌রেন।

বিজনেস বাংলাদেশ / বিএইচ