০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

মার্চ-এপ্রিলে বজ্রপাতে নিহত ৭০: ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জানিয়েছেন, চলতি বছর মার্চ ও এপ্রিল মাসে ৭০ জন মানুষ বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে চলমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত ২৯ ও ৩০ এপ্রিল দুইদিনে ২৯ জন লোক বজ্রপাতে মারা গেছেন। গত মার্চ মাসে ১২ জন এবং এপ্রিল মাসে ৫৮ জনসহ মোট ৭০ জন লোক বজ্রপাতে মারা গেছেন।

ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাব্য পরিস্থিতি সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। বর্ষা মৌসুম আগত। এ সময়ে ঝড়-তুফান হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে সকলকে পরিস্থিতি দেখে শুনে ঘর থেকে বের হতে হবে।

এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ড. সমরেন্দ্র কর্মকার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এপ্রিল মাসে তীব্রঝড় ও বজ্রপাতের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ১৯৮০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ডেটা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে ঝড়-বজ্রপাতের প্রবণতা কম ছিল। মে সাসে এমন ঝড় ও বজ্রপাত বেশি দেখা যেত।

বঙ্গোপসাগরে উচ্চচাপ বলয়ে পূবালি লঘুচাপ দুর্বল থাকলেই বাংলাদেশের উপর বজ্রঝড়ের প্রবণতা বাড়ে বলে মনে করেন এই গবেষক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সরওয়ার আলমগীরের প্রতীক বরাদ্দ বৈধ, অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি গোষ্ঠী

মার্চ-এপ্রিলে বজ্রপাতে নিহত ৭০: ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল

প্রকাশিত : ০১:০০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া জানিয়েছেন, চলতি বছর মার্চ ও এপ্রিল মাসে ৭০ জন মানুষ বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে চলমান আবহাওয়া পরিস্থিতি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, গত ২৯ ও ৩০ এপ্রিল দুইদিনে ২৯ জন লোক বজ্রপাতে মারা গেছেন। গত মার্চ মাসে ১২ জন এবং এপ্রিল মাসে ৫৮ জনসহ মোট ৭০ জন লোক বজ্রপাতে মারা গেছেন।

ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, বজ্রপাত ও বৃষ্টিপাতের সম্ভাব্য পরিস্থিতি সরকার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। বর্ষা মৌসুম আগত। এ সময়ে ঝড়-তুফান হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে সকলকে পরিস্থিতি দেখে শুনে ঘর থেকে বের হতে হবে।

এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের সাবেক পরিচালক ড. সমরেন্দ্র কর্মকার বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এপ্রিল মাসে তীব্রঝড় ও বজ্রপাতের প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ১৯৮০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ডেটা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মার্চ ও এপ্রিল মাসে ঝড়-বজ্রপাতের প্রবণতা কম ছিল। মে সাসে এমন ঝড় ও বজ্রপাত বেশি দেখা যেত।

বঙ্গোপসাগরে উচ্চচাপ বলয়ে পূবালি লঘুচাপ দুর্বল থাকলেই বাংলাদেশের উপর বজ্রঝড়ের প্রবণতা বাড়ে বলে মনে করেন এই গবেষক।