জঙ্গিদের কোনো ধর্ম, জাতি ও দেশ নেই। জঙ্গি কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জঙ্গি দমনে র্যাবের প্রশংসা করে বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ওপর খেয়াল রাখতে হবে। যথাযথ মনিটরিংয়ের মাধ্যমে কোনো শিক্ষার্থী যেনো জঙ্গিবাদে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে নজরদারী বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালে জঙ্গিবাদ আন্তর্জাতিকভাবে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও অপতৎপরতা শুরু করেছিল জঙ্গিরা। তারা রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলা চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালিয়েছিল। এসময় অনেকেই ধারণা করেছিলেন এই সংকট বাংলাদেশ একা এটা সমাধান করতে পারবে না। কিন্তু র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টায় মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জঙ্গিদের দমন করা সম্ভব হয়।
জঙ্গিবাদকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় না দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন, যারা জঙ্গি তৎপরতা চালায় তাদের কোনো ধর্ম ও দেশ নাই। জঙ্গিবাদ বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বাংলাদেশ সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। জঙ্গিবাদী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের মানুষকে কেউ যেন অপবাদ দিতে না পারে সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। সেক্ষেত্রে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্যরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
র্যাবকে ধন্যবাদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হলি আর্টিজানসহ দেশের যেখানেই জঙ্গি তৎপরতার চেষ্টা হয়েছে র্যাবের সদস্যরা তা নস্যাত করে দিয়েছে।
র্যাব জলদস্যু নির্মূলে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জলদস্যুরা আত্মসমর্পণ করলে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার।
২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দেখার আশাবাদ ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের চেয়ে অনেক বেশি বাস্তবায়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

























