০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

এক বছরে চিনির দর কমেছে ২৪ শতাংশ

বিশ্বব্যাপী নানা খাদ্য পণ্যের দাম টানা বাড়ছে। তবে গত বছরের শেষ দিকে একটু কমলেও চলতি বছরের শুরু থেকে আবারও টানা ঊর্ধ্বমুখী দাম। তবে উল্টোদিকে চিনি ও ভোজ্য তেলের দাম। গেলো এপ্রিলে এই দুই পণ্যের দাম বেশ কমেছে। জাতিসংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।

সংস্থাটি বলছে, এই দুই পণ্যের দাম কম হওয়ার কারণে গেলো এপ্রিলে বিশ্ববাজারে সার্বিকভাবে খাদ্যপণ্যের দাম তেমন বাড়েনি। তবে দানা জাতীয় খাদ্যশস্য ও দুগ্ধ জাতীয় পণ্যের দাম বাড়তি থাকায় এপ্রিলের সার্বিক সূচকে প্রভাব ফেলেছে।

এফএওর ফুড ইনডেক্স অনুযায়ী, এপ্রিলে খাদ্য সূচক হয়েছে গড়ে ১৭৩ দশমিক ৫ পয়েন্ট। যা মার্চ থেকে সামান্য বেশি। তবে গেলো বছরের একই সময়ের থেকে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

বিশ্বব্যাপী ৫ ধরনের পণ্য নিয়ে গবেষণা করে প্রতিমাসে প্রতিবেদন প্রকাশ করে এফএও। এ পণ্যের মধ্য রয়েছে- দানা জাতীয় খাদ্যশস্য, দুধ, মাংস, ভোজ্য তেল ও চিনি। দানাজাতীয় খাদ্য ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে চিনির দাম কমেছে আরও। চাপে আছে ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম।

এপ্রিলে চিনির দাম কমেছে মার্চের তুলনায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ আর গেলো বছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে ২৪ শতাংশের মতো। ডিসেম্বর থেকেই চিনির এই নিম্নমুখী ধারা বজায় আছে।

জাতিসংঘের এ সংস্থা মনে করছে, চিনির সরবরাহ ভালো থাকায় বিশেষ করে ভারত ও থাইল্যান্ডে রেকর্ড উৎপাদন হওয়ায় এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

এক বছরে চিনির দর কমেছে ২৪ শতাংশ

প্রকাশিত : ০৪:৫০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ মে ২০১৮

বিশ্বব্যাপী নানা খাদ্য পণ্যের দাম টানা বাড়ছে। তবে গত বছরের শেষ দিকে একটু কমলেও চলতি বছরের শুরু থেকে আবারও টানা ঊর্ধ্বমুখী দাম। তবে উল্টোদিকে চিনি ও ভোজ্য তেলের দাম। গেলো এপ্রিলে এই দুই পণ্যের দাম বেশ কমেছে। জাতিসংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সবশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।

সংস্থাটি বলছে, এই দুই পণ্যের দাম কম হওয়ার কারণে গেলো এপ্রিলে বিশ্ববাজারে সার্বিকভাবে খাদ্যপণ্যের দাম তেমন বাড়েনি। তবে দানা জাতীয় খাদ্যশস্য ও দুগ্ধ জাতীয় পণ্যের দাম বাড়তি থাকায় এপ্রিলের সার্বিক সূচকে প্রভাব ফেলেছে।

এফএওর ফুড ইনডেক্স অনুযায়ী, এপ্রিলে খাদ্য সূচক হয়েছে গড়ে ১৭৩ দশমিক ৫ পয়েন্ট। যা মার্চ থেকে সামান্য বেশি। তবে গেলো বছরের একই সময়ের থেকে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

বিশ্বব্যাপী ৫ ধরনের পণ্য নিয়ে গবেষণা করে প্রতিমাসে প্রতিবেদন প্রকাশ করে এফএও। এ পণ্যের মধ্য রয়েছে- দানা জাতীয় খাদ্যশস্য, দুধ, মাংস, ভোজ্য তেল ও চিনি। দানাজাতীয় খাদ্য ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বেড়েছে, অন্যদিকে চিনির দাম কমেছে আরও। চাপে আছে ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম।

এপ্রিলে চিনির দাম কমেছে মার্চের তুলনায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ আর গেলো বছরের একই সময়ের চেয়ে কমেছে ২৪ শতাংশের মতো। ডিসেম্বর থেকেই চিনির এই নিম্নমুখী ধারা বজায় আছে।

জাতিসংঘের এ সংস্থা মনে করছে, চিনির সরবরাহ ভালো থাকায় বিশেষ করে ভারত ও থাইল্যান্ডে রেকর্ড উৎপাদন হওয়ায় এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।