জাতীয় দলের হয়ে দেড় যুগ খেলেছেন। এখনও দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখছেন। সম্প্রতি চন্দ্রিকা হাথুরুসিংহে শ্রীলংকান জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর ভাগ্য খারাপ হয়ে যায় তারকা এই পেস বোলারের।
দল থেকে বাদ পড়ে যাওয়ায় কিছুটা মর্মাহত শ্রীলংকান এই পেস বোলার। শ্রীলংকান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে মালিঙ্গার সামনে এখনও দরজা খোলা আছে।
এজন্য তাকে আইপিএলের সহকারী কোচের চাকরি ছেড়ে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলে নিজের পারফরম্যান্স এবং ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। তা হলে জাতীয় দলে ফেরা সম্ভব। এর ব্যতিক্রম হলে তাকে ফেরানো সম্ভব নয়।
আইপিএলের চলমান ১১তম আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলার কথা ছিল মালিঙ্গার। দলে সুযোগ না পেয়ে মুম্বাইয়ে বোলিং মেন্টর হিসেবে কাজ করছেন। আর এটাই মালিঙ্গার ক্যারিয়ারকে সংশয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়া হয়েছে, সহকারী কোচের এই ভূমিকা ছেড়ে দেশে ফিরে ঘরোয়া ক্রিকেট না খেললে তার আর জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ নেই।
জাতীয় দলের হয়ে মালিঙ্গা সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ৭ মাস আগে; ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজে। এরপর থেকে আরব আমিরাত, ভারত ও বাংলাদেশ সফর এবং দেশের মাটিতে নিদাহাস ট্রফিতে তাকে দলে রাখা হয়নি।
শ্রীলংকানর আন্তঃপ্রাদেশিক ওয়ানডে টুর্নামেন্টের জন্য ঘোষিত দলে রাখা মালিঙ্গাকে। তার আগে ভারত থেকে এক ভিডিও বার্তায় মালিঙ্গা বলেছেন, আইপিএল শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি কোনো ঘরোয়া ক্রিকেট খেলবেন না।
তবে একই সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জুলাই মাসে হোম সিরিজে খেলার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করেন মালিঙ্গা।
তবে শ্রীলংকান ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট থিলাঙ্গা সুমাথিপালা বলেছেন, লাসিথ যদি ঘরোয়া ক্রিকেট না খেলে, নির্বাচকরা নিশ্চয়ই তার ব্যাপারে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে। আমরা ওকে জানিয়েছি যে, তাকে দলে রাখা হয়েছে। সে যদি আন্তঃপ্রাদেশিক এই টুর্নামেন্ট না খেলে, তাহলে তাকে নির্বাচকদের বিবেচনা করার সম্ভাবনা খুব কম।
সুমাথিপালা আরও বলেন, আমরা এখনও ওকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারি। ও যদি আইপিএলে ম্যাচ খেলত, তাহলে আমাদের কোনও সমস্যা ছিল না। কিন্তু ঘটনা হচ্ছে, ও তো বেঞ্চে বসে থাকছে।

























