সীমানা জটিলতায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া আদেশের পর হাইকোর্টে এসেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। সোমবার দুপুরের দিকে তিনি হাইকোর্টে আসেন। তিনি নির্বাচন স্থগিতের জন্য পরোক্ষভাবে বিএনপিকে দায়ী করেছেন।
এসময় জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন হোক। নির্বাচন যাতে হয়, তার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এবং আপিলের প্রস্তুতির জন্য আমার আইনজীবীকে নির্দেশ দিয়েছি।’
‘আমি মনে করি, বিএনপি এই নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে। যে এই নির্বাচন বন্ধের জন্য রিট করেছেন, তাঁর সেই রিটে প্রথম আইনজীবী ছিলেন বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। সে হিসেবে আমি মনে করি, বিএনপির এই নির্বাচন বন্ধ করেছে,’ যোগ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।
তবে তার আইনজীবী শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা করে আপিলের সিদ্ধান্ত নেব।’
এর আগে রবিবার সীমানা জটিলতার কারণে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ছয়টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, এ মর্মে রুলও জারি করা হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আজ দুপুরে চেম্বার আদালতে আবেদন করেছেন বিএনপির মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার। বিকেলে এর ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে নির্বাচন ১৫ মে হওয়ার কথা ছিল।


























