এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান দেশের বিশিষ্ট আইনজীবী, বার কাউন্সিলে ইতোপূর্বে ৮ বার নির্বাচিত যিনি ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ভয়াবহ বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় হতাহতের ঘটনায় আনা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে প্রধান কৌসুঁলি হিসেবে দায়িত্ব দায়িত্ব পালন করছেন। নজিরবিহীন ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার চলছে। ওই ঘটনার শিকার এবং হতাহত ও তাদের স্বজনদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান।
আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক ও পেশাগত বিষয়ের সর্বোচ্চ সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আগামী ১৪ মে অনুষ্টিতব্য নির্বাচনে সাধারণ আসনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের মনোনীত প্যানেল থেকে সদস্য পদে নির্বাচন করছেন সৈয়দ রেজাউর রহমান। এখানে তার ব্যালট নম্বর ২১। এর আগেও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে এবং দেশের আইনজীবীদের আস্থাভাজন এ নেতা ৮ বার নির্বাচিত হয়েছেন। আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এবং আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন অবদান তিনি রেখে চলেছেন।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আইনজীবীদের প্রিয় অভিবাবক সৈয়দ রেজাউর রহমান। ১৪ মে’র নির্বাচনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত প্যানেল সারা দেশের আইনজীবীদের ভোটে নির্বার্চিত হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন সৈয়দ রেজাউর রহমান। সৈয়দ রেজাউর রহমান বলেন, সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সিনিয়র আইনজীবী সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং আইনজীবীদের কাছে পরীক্ষীতদের প্রার্থী করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবার তার পছন্দ মতো প্রার্থী ঠিক করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, তাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে আইনজীবীদের পেশাগত কল্যান এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হবে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পূর্ব পাকিস্থান তথা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধে বৃহত্তর কুমিল্লার মুজিব বাহিনীর প্রধান, বর্তমানে দেশের বিশিষ্ট আইনজীবী এবং ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান কৌঁসুলি এডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান। তিনি বলেন, তার সঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন নুরে আলম সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন শাহজাহান সিরাজ। তিনি বাংলাদেশ অওয়ামীলীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলেন বিভিন্ন দায়িত্ব সাফল্যে সঙ্গে পালন করেন তিনি। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ১৫ তলা ভবন নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আইনজীবীদের বেনাভোলেন্ড ফান্ড বুদ্ধি হচ্ছে। এ বিষয়ে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
আগামী ১৪ মে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫৭ হাজার। সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির ভবন ছাড়াও দেশের জেলা সদর এবং উপজেলা সদরের দেওয়ানি আদালত প্রাঙ্গণ ও বাজিতপুরের কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত প্যানেলে সাধারণ আসনের প্রার্থীগনবঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের মনোনীত প্যানেলে প্রার্থীরা হলেন- বার কাউন্সিলের বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সৈয়দ রেজাউর রহমান, জেড আই খান পান্না, পরিমল চন্দ্র গুহ ও শ ম রেজাউল করীম। এই সাতজন সাধারণ সদস্য পদে লড়বেন। সাতটি আঞ্চলিক সদস্য পদে আছেন- এ গ্রুপ থেকে কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, বি গ্রুপ থেকে মো. কবির উদ্দিন ভূঁইয়া, সি গ্রুপ থেকে ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, ডি গ্রুপ থেকে এ এফ মো. রুহুল আনাম চৌধুরী, ই গ্রুপ থেকে পারভেজ আলম খান, এফ গ্রুপ থেকে মো. ইয়াহিয়া ও জি গ্রুপ থেকে মো. রেজাউল করিম মন্টু।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলে সাধারণ আসনের প্রার্থীগন বিএনপি ও সমমনা সমর্থক জাতীযতাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের সাধারণ সদস্য প্রার্থীরা হলেন- সাবেক এটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, ফজলুর রহমান, তৈমূর আলম খন্দকার, বোরহানউদ্দিন, হেলালউদ্দিন মোল্লা, মো. আব্বাস উদ্দিন ও আসিফা আশরাফী পাপিয়া। অঞ্চলভিত্তিক সদস্য পদে এ গ্রুপ থেকে মো. মহসীন মিয়া, বি গ্রুপ থেকে বাধন কুমার গোস্বামী, সি গ্রুপ থেকে শেখ মোখলেসুর রহমান, ডি গ্রুপ থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, ই গ্রুপ থেকে এস আর ফারুক ও এফ গ্রুপ থেকে মো. ইসহাক।
প্রতি তিন বছর অন্তর বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। একজন ভোটার মোট সাতটি ভোট দিতে পারেন। বার কাউন্সিল ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়। এর মধ্যে রাষ্ট্রের এটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। বাকি ১৪ জন আইনজীবীদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। ১৪ জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সারাদেশে সনদপ্রাপ্ত আইনজীবীদের ভোটে সাধারণ আসনে সাতজন এবং দেশের সাতটি অঞ্চলের লোকাল আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে সাতজন নির্বাচিত হন।


























