০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তাবিথ আউয়ালকে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করছে

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আওয়ালকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়া।

দুদক সূত্র জানায়, চলতি বছরই তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে ২৪ এপ্রিল তলবি নোটিশ পাঠায় দুদক।

তাবিথের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন তিনি। আর ১৮ ফেব্রুয়ারি তাবিথ ন্যাশনাল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। দুটি চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা এই টাকার মধ্যে ৩ কোটি ২৫ লাখ উত্তোলন করা হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে।

এছাড়া ২ এপ্রিল তাবিথ ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তাবিথ ছাড়া যেসব জ্যেষ্ঠ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- স্থায়ী কমিটির চার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস, দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল।

এছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান হচ্ছে।

ট্যাগ :

তাবিথ আউয়ালকে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করছে

প্রকাশিত : ১২:১৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আওয়ালকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সংস্থাটির উপপরিচালক আখতার হামিদ ভূঁইয়া।

দুদক সূত্র জানায়, চলতি বছরই তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে এ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানে ২৪ এপ্রিল তলবি নোটিশ পাঠায় দুদক।

তাবিথের বিরুদ্ধে দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ১৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন তিনি। আর ১৮ ফেব্রুয়ারি তাবিথ ন্যাশনাল ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা নগদ উত্তোলন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি একই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। দুটি চেকের মাধ্যমে উত্তোলন করা এই টাকার মধ্যে ৩ কোটি ২৫ লাখ উত্তোলন করা হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে।

এছাড়া ২ এপ্রিল তাবিথ ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ সাত নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আরেকটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং, সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনসহ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তাবিথ ছাড়া যেসব জ্যেষ্ঠ নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- স্থায়ী কমিটির চার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মির্জা আব্বাস, দুই ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু ও এম মোর্শেদ খান, যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেল।

এছাড়া এম মোর্শেদ খানের ছেলে খান ফয়সাল মোর্শেদ খানের বিরুদ্ধেও অনুসন্ধান হচ্ছে।