০৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ক্বারী বাছিদের মতো কণ্ঠ কে এই অন্ধ বালক?

জন্মের পর থেকেই চোখে দেখে না, হাঁটতেও পারে না সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১৩ বছরের বালক মোহাম্মাদ ঈসা আব্দুল হাদি। অথচ মুখস্ত করেছে কুরআনের বেশ কয়েকটি সূরা। খবর খালিজ টাইমসের।

কুরআন মুখস্ত করতে গিয়ে ১৩ বছরের বালক আব্দুল হাদি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নেয়নি।

তার বাবা আব্দুল হাদি বলেন, খুবই ছোট বয়স থেকেই সে কুরআন নিয়ে সময় কাটায়। যখন তার বয়স ৪ বছর তখন আমরা লক্ষ্য করলাম সে কুরআন পড়তে পারছে। এরপর থেকে তাকে উৎসাহ দিয়ে সহযোগিতা করছি আমরা।

ঈসা আব্দুল হাদির বাবা আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করলাম তার কণ্ঠ বিশ্ববিখ্যাত ক্বারী আব্দুল বাছিদের মতো। এরপর তার দুই বড় বোন সুমাইয়া এবং আয়েশা তাকে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসে। তারা নিজেরাও নিয়মিত কুরআন পড়েন। সুমাইয়া ঈশাকে প্রথম সুরা আস-শামস পাঠ করে শুনায়। এরপর সে নিজেও এটা আনন্দের সঙ্গে পাঠ করে। শুধু তাই নয়, মুহাম্মদ ঈসা খালিজ টাইমস সদস্যদেরও কুরআন তিলাওয়াত করে শোনায়।

মোহম্মাদ ঈসা স্কুলে যায় না। এছাড়া খাবার খাওয়ার সময় অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তার। কিন্তু এমন অবস্থা সত্ত্বেও সে কুরআন মুখস্ত করছে। তার বাবা বলেন, আমরা তাকে স্কুলে পাঠাতে পারছি না। কারণ কোনো কিছু শেখা তার মেজাজের ওপর নির্ভর করে। এমন হয় সে কয়েকদিন কিছুই পড়ছে না আবার যখন পড়বে তখন অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু আয়ত্তে নিতে পারে।

গত মাসে মোহাম্মাদ ঈসা পবিত্র কুরআন থেকে সুরা আল বাকারা পাঠ করলে তা রেকর্ড করা হয়। এর আয়োজন করে আইনস্টাইন ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। ২ ঘণ্টা ৫০ মিনিট ধরে এর রেকর্ড করা হয়।

এর মাধ্যমেই সে বিশ্বের প্রথম বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে কুরআন পড়ার গৌরব অর্জন করে। তার পবিত্র কুরআন পাঠ করার রেকর্ডটি বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ তার মেধার প্রশংসা করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

ক্বারী বাছিদের মতো কণ্ঠ কে এই অন্ধ বালক?

প্রকাশিত : ০৯:০২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

জন্মের পর থেকেই চোখে দেখে না, হাঁটতেও পারে না সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১৩ বছরের বালক মোহাম্মাদ ঈসা আব্দুল হাদি। অথচ মুখস্ত করেছে কুরআনের বেশ কয়েকটি সূরা। খবর খালিজ টাইমসের।

কুরআন মুখস্ত করতে গিয়ে ১৩ বছরের বালক আব্দুল হাদি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নেয়নি।

তার বাবা আব্দুল হাদি বলেন, খুবই ছোট বয়স থেকেই সে কুরআন নিয়ে সময় কাটায়। যখন তার বয়স ৪ বছর তখন আমরা লক্ষ্য করলাম সে কুরআন পড়তে পারছে। এরপর থেকে তাকে উৎসাহ দিয়ে সহযোগিতা করছি আমরা।

ঈসা আব্দুল হাদির বাবা আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করলাম তার কণ্ঠ বিশ্ববিখ্যাত ক্বারী আব্দুল বাছিদের মতো। এরপর তার দুই বড় বোন সুমাইয়া এবং আয়েশা তাকে সহযোগিতা করার জন্য এগিয়ে আসে। তারা নিজেরাও নিয়মিত কুরআন পড়েন। সুমাইয়া ঈশাকে প্রথম সুরা আস-শামস পাঠ করে শুনায়। এরপর সে নিজেও এটা আনন্দের সঙ্গে পাঠ করে। শুধু তাই নয়, মুহাম্মদ ঈসা খালিজ টাইমস সদস্যদেরও কুরআন তিলাওয়াত করে শোনায়।

মোহম্মাদ ঈসা স্কুলে যায় না। এছাড়া খাবার খাওয়ার সময় অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হয় তার। কিন্তু এমন অবস্থা সত্ত্বেও সে কুরআন মুখস্ত করছে। তার বাবা বলেন, আমরা তাকে স্কুলে পাঠাতে পারছি না। কারণ কোনো কিছু শেখা তার মেজাজের ওপর নির্ভর করে। এমন হয় সে কয়েকদিন কিছুই পড়ছে না আবার যখন পড়বে তখন অল্প সময়ের মধ্যে সবকিছু আয়ত্তে নিতে পারে।

গত মাসে মোহাম্মাদ ঈসা পবিত্র কুরআন থেকে সুরা আল বাকারা পাঠ করলে তা রেকর্ড করা হয়। এর আয়োজন করে আইনস্টাইন ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। ২ ঘণ্টা ৫০ মিনিট ধরে এর রেকর্ড করা হয়।

এর মাধ্যমেই সে বিশ্বের প্রথম বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু হিসেবে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে কুরআন পড়ার গৌরব অর্জন করে। তার পবিত্র কুরআন পাঠ করার রেকর্ডটি বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ তার মেধার প্রশংসা করে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh