০৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

ইত্তেফাক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার রামগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে লক্ষ্মীপুর, রামগঞ্জ, রায়পুর, কমলনগর ও রামগতি প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা। বুধবার দুপুর ১২টায় লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাবেল, কমলনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ, রায়পুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আর সুমন, রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেদ মাহমুদ ফারুক প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, ইত্তেফাক প্রতিনিধি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন সাংবাদিক নেতারা। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

বিগত ২০২১ সালের ২৮ নভেম্বর রামগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নম্বর ইছাপুর ইউনিয়নের নয়নপুর ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় একজন নিহত হয়। যাহা ২৯ নভেম্বর দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রথম পৃষ্টায় “ভোট কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা” শিরোনামে প্রকাশিত হয়।

উক্ত সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক জাকির হোসেনকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধমকি প্রদান করে হত্যাকারীর সাথে জড়িতরা। এ হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার বোন সোনিয়া আক্তার বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামী করে রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ মামলার প্রধান আসামী মাসুদকে পরদিন গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ১৪ দিন পর মাসুদ জেলা কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামীদের প্ররোচনায় মাসুদের স্ত্রী আখি আক্তার বাদী হয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেনকে প্রধান আসামী করে রামগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

পুলিশ দীর্ঘ ৬ মাস তদন্ত করে উক্ত মামলার সকল আসামীকে বাদ দিয়ে আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করে। ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামীরা আবারো প্ররোচনা দিয়ে মামলার বাদীকে আদালতে নারাজী দিতে বলে। সে সুবাদে বাদী আদালতে নারাজী দিলে আদালত মামলাটি পিবিআই নোয়াখালী তদন্তের আদেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি পিবিআই নোয়াখালীতে তদন্তাধীন আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

জনপ্রিয়

ইসরায়েলকে সতর্ক করল হোয়াইট হাউজ

ইত্তেফাক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন

প্রকাশিত : ১১:০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার রামগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে লক্ষ্মীপুর, রামগঞ্জ, রায়পুর, কমলনগর ও রামগতি প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা। বুধবার দুপুর ১২টায় লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমদ হেলালের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাবেল, কমলনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মজিদ, রায়পুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আর সুমন, রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেদ মাহমুদ ফারুক প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, ইত্তেফাক প্রতিনিধি জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন সাংবাদিক নেতারা। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে উপস্থিত সাংবাদিকদের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়।

বিগত ২০২১ সালের ২৮ নভেম্বর রামগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নম্বর ইছাপুর ইউনিয়নের নয়নপুর ভোট কেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় একজন নিহত হয়। যাহা ২৯ নভেম্বর দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রথম পৃষ্টায় “ভোট কেন্দ্রে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা” শিরোনামে প্রকাশিত হয়।

উক্ত সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক জাকির হোসেনকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধমকি প্রদান করে হত্যাকারীর সাথে জড়িতরা। এ হত্যার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতার বোন সোনিয়া আক্তার বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামী করে রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ মামলার প্রধান আসামী মাসুদকে পরদিন গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের ১৪ দিন পর মাসুদ জেলা কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামীদের প্ররোচনায় মাসুদের স্ত্রী আখি আক্তার বাদী হয়ে সাংবাদিক জাকির হোসেনকে প্রধান আসামী করে রামগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

পুলিশ দীর্ঘ ৬ মাস তদন্ত করে উক্ত মামলার সকল আসামীকে বাদ দিয়ে আদালতে ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করে। ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামীরা আবারো প্ররোচনা দিয়ে মামলার বাদীকে আদালতে নারাজী দিতে বলে। সে সুবাদে বাদী আদালতে নারাজী দিলে আদালত মামলাটি পিবিআই নোয়াখালী তদন্তের আদেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি পিবিআই নোয়াখালীতে তদন্তাধীন আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব