ছাত্রলীগের নেতৃত্ব বাছাইয়ে নেতাদের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার পছন্দের প্রার্থী আছে। তোমাদের কে আছে বলো।’
শুক্রবার রাতে গণভবনে ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘তোমাদের পছন্দের কোনো প্রার্থী থাকলে তোমরা নাম বলো। দেখি আমার পছন্দের সঙ্গে মেলে কিনা?’
ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকা অনেক নেতাই জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা প্রথমে চট্রগ্রাম বিভাগের নেতাদের দিয়ে পছন্দের প্রার্থীর নাম জানতে চান। পরে অন্য বিভাগের নেতাদের কাছেও পছন্দের প্রার্থীর নাম জানতে চান।
তবে শেখ হাসিনার নাম জিজ্ঞাসার উত্তর না দিয়ে নেতারা সমস্বরে বলেছেন, ‘আমাদের পছন্দ নাই আপা। আপনার পছন্দই আমাদের পছন্দ।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘চিরকুটের মাধ্যমেও লিখে দিতে পারো।… ছাত্রলীগের নেতা হতে মনোনয়ন সংগ্রকারী সবার বায়োডাটা ও সবার পারিবারের পরিচিতি আমার হাতে আছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে আমি পছন্দের প্রার্থী বেছে নিয়েছি।’
এসময় দলের এক সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রলীগে নতুন নেতৃত্বে অন্তত একজন মেয়েকে শীর্ষ পদে রাখার প্রস্তাব করেন। বৈঠকে ছাত্রলীগের সাবেক দুই নেতা (কেন্দ্রীয় নেতা নয়) সংগঠনের অন্য সাবেক নেতাদের কড়া সমালোচনা করে শেখ হাসিনার সামনে। বৈঠকের পরে ছাত্রলীগের বয়সসীমা নিয়েও আলোচনা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, আগে ছাত্রলীগে মেধাবী ছাত্রদের নেতা বানানো হতো। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতো মেধাবীরা। ছাত্রলীগকে আবার আগের জায়গায় আসতে হবে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে এসব কথপোকথন হয়। পরে শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় নেতাদের সবাইকে শনিবার ছাত্রলীগের সম্মেলনস্থলে যাওয়ার নিদের্শ দেন। সেখানে যারা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তাদের সবার নাম ঘোষণার পর প্রার্থীদের নাম নিয়ে গণভবনে চলে আসার নিদের্শ দেন। সেখান থেকে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যেমে প্রকাশ করা হবে।
























