ছোট দুই ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালের কথা স্মরণ করে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার ঢাকা সেনানিবাসে ২০টি সমাপ্ত প্রকল্পসহ ২৭টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে বক্তব্য দিতে গিয়ে ভাইদের স্মরণ করে তিনি কেঁদেছেন।
শেখ কামাল ও শেখ জামালের সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া ও স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগাদানের বিষয় বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার ছোট ভাইটি মাত্র ১০ বছর বয়সের, তাকে যদি জিজ্ঞেস করা হতো বড় হয়ে কী হবে? একটিই কথা ছিল, সেও সেনাবাহিনীতে যোগদান করবে। দুর্ভাগ্য ১৫ আগস্ট তারা সকলেই শাহাদাতবরণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পরিবারের সদস্য হিসেবে সেনাবাহিনীর উন্নয়ন করা আমার কর্তব্য। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রেও আমরা আরও বেশি উন্নত হব, সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করি।
হাসিনা বলেন, যখনই প্রয়োজন হবে সেনাবাহিনী দেশের মানুষের পাশে এসে দাঁড়াবে। এটাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। অতীতের মতো সরকারকে সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও তারা মানুষের পাশে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, ‘৯৬ সালে মেয়েদের সেনা ও বিমানবাহিনীতে নিয়োগের ব্যবস্থা করি। নারী পাইলট সংযোজন করে নতুন যুগের সূচনা করি। সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য কেন্দ্র করে দিয়েছি।
শেখ হাসিনা বলেন, সেনা সদস্যদের জন্য দুপুরে রুটির পরিবর্তে ভাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। ‘৯৬ সালে সরকার গঠনের পর সেনাবাহিনীর কাছে তাদের দাবি-দাওয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। তারা বলেছিলেন, আমাদের দুপুরে রুটি দেয়া হয়, আমরা ভাত খেতে চাই। ওই সময় দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। আমি কথা দিয়েছিলাম তাদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত আমি ভাত খাবো না। আমি ভাত খাইনি। তাদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা করার পর আমি তাদের সঙ্গে বসে দুপুরের ভাত খেয়েছি।
তিনি আরো বলেন, সেনা সদস্যের জন্য ২ লাখ টাকার দুস্থ ভাতা ৬ লাখ টাকা করে দিয়েছি। এলপিআরের মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর জেসিও পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির করা হয়েছে। সার্জেন্টকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।
























