০১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

কর বসছে বিদেশি চ্যানেলে

বাংলাদেশে যেসব বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করা হয়, সেগুলোর ওপর কর বসানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় তার ইংগিত পাওয়া গেছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে আগামী বছর থেকে দেশে প্রচলিত বিদেশি চ্যানেলগুলোকে কর হিসেবে অর্থ গুণতে হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি চ্যানেলে ন্যূনতম ফি, কর ও মূসক থেকে বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার বেশি আয় হতে পারে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ বিদেশি চ্যানেল দেখতে অভ্যস্ত।

কিন্তু ওইসব বিদেশি চ্যানেল বাংলাদেশে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো তদারকি না থাকায় সেভাবে ফি আদায় হচ্ছে না। এছাড়া বিদেশি চ্যানেলের বিজ্ঞাপন থেকে মূসক আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ অবস্থায় ওই চ্যানেলগুলোকে করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তবে তার আগে বিদেশে বাংলাদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে কী পরিমাণ ফি, কর ও ভ্যাট দিতে হয় তা জানতে চেয়েছে এনবিআর।

বাংলাদেশে সম্প্রচার হয় এমন বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল টেলিভিশন চ্যানেল মালিক, কলাকুশলী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের সংগঠন মিডিয়া ইউনিটিও। কিন্তু কোনোভাবেই তা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

বিষয়টি গত মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায়ও তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে ফি নির্ধারণ এবং কর ও ভ্যাট বসানোর প্রস্তাব করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

কর বসছে বিদেশি চ্যানেলে

প্রকাশিত : ০২:৫০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মে ২০১৮

বাংলাদেশে যেসব বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করা হয়, সেগুলোর ওপর কর বসানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় তার ইংগিত পাওয়া গেছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে আগামী বছর থেকে দেশে প্রচলিত বিদেশি চ্যানেলগুলোকে কর হিসেবে অর্থ গুণতে হবে।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি চ্যানেলে ন্যূনতম ফি, কর ও মূসক থেকে বছরে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার বেশি আয় হতে পারে। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ বিদেশি চ্যানেল দেখতে অভ্যস্ত।

কিন্তু ওইসব বিদেশি চ্যানেল বাংলাদেশে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো তদারকি না থাকায় সেভাবে ফি আদায় হচ্ছে না। এছাড়া বিদেশি চ্যানেলের বিজ্ঞাপন থেকে মূসক আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ অবস্থায় ওই চ্যানেলগুলোকে করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। তবে তার আগে বিদেশে বাংলাদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে কী পরিমাণ ফি, কর ও ভ্যাট দিতে হয় তা জানতে চেয়েছে এনবিআর।

বাংলাদেশে সম্প্রচার হয় এমন বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল টেলিভিশন চ্যানেল মালিক, কলাকুশলী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের সংগঠন মিডিয়া ইউনিটিও। কিন্তু কোনোভাবেই তা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

বিষয়টি গত মাসের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায়ও তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচারে ফি নির্ধারণ এবং কর ও ভ্যাট বসানোর প্রস্তাব করা হয়।