০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে মা হত্যার ২৭ বছর পর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ছেলে গ্রেপ্তার

বোনের সাথে ঝগড়া বাধে বাদশা মিয়ার। বাঁশের লাঠি দিয়ে বোনকে আঘাত করতে যান। মা এসে সেই লাঠি কেড়ে নেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠানে পড়ে থাকা দা নিয়ে মাকে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর কেটে গেছে ২৭ বছর। ১৯ বছর আগে মাকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। নাম বদল করে এতো দিন আত্মগোপন করে ছিলেন। রোববার ভোরে ঢাকার আশুলিয়া থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম বাদশা মিয়া (৫৫) টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কালোহা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে।
রোববার দুপুরে র‌্যাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের। তিনি জানান, মাকে হত্যার পরেই বাদশা মিয়া পালিয়ে যান। তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে আলী আকবর নাম দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরী করেন। প্রথমে ঢাকা মহনগরের বাড্ডা এলাকায় থাকতেন। ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন কান্দাইল এলাকায় বসবাস করা শুরু করেন। প্রথমে পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। গত চার বছর ধরে কান্দাইল এলাকায় চায়ের দোকান করতেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে রোববার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। বিচার শেষে ২০০৪ সালের ১৮ ফেব্রæয়ারি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত বাদশা মিয়াকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

টাঙ্গাইলে মা হত্যার ২৭ বছর পর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ছেলে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৬:০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩

বোনের সাথে ঝগড়া বাধে বাদশা মিয়ার। বাঁশের লাঠি দিয়ে বোনকে আঘাত করতে যান। মা এসে সেই লাঠি কেড়ে নেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠানে পড়ে থাকা দা নিয়ে মাকে কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মায়ের মৃত্যু হয়। তারপর কেটে গেছে ২৭ বছর। ১৯ বছর আগে মাকে হত্যার দায়ে আদালত তাকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন। নাম বদল করে এতো দিন আত্মগোপন করে ছিলেন। রোববার ভোরে ঢাকার আশুলিয়া থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম বাদশা মিয়া (৫৫) টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কালোহা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে।
রোববার দুপুরে র‌্যাব কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের। তিনি জানান, মাকে হত্যার পরেই বাদশা মিয়া পালিয়ে যান। তিনি নিজের নাম পরিবর্তন করে আলী আকবর নাম দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরী করেন। প্রথমে ঢাকা মহনগরের বাড্ডা এলাকায় থাকতেন। ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন কান্দাইল এলাকায় বসবাস করা শুরু করেন। প্রথমে পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। গত চার বছর ধরে কান্দাইল এলাকায় চায়ের দোকান করতেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে রোববার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার পর বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে কালিহাতী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। বিচার শেষে ২০০৪ সালের ১৮ ফেব্রæয়ারি টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালত বাদশা মিয়াকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh