০২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ভারত বিরোধীতাই বিএনপির রাজনীতি

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ভারত বিরোধিতা এবং অন্তরালে তাদের পদলেহন করাই বিএনপির রাজনীতি।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ড. হাছান বলেন, ‘২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে সামরিক ক্ষেত্রে সহায়তাসহ সে দেশটির সঙ্গে বেশ কিছু এমওইউ (সমঝোতা স্মারক) স্বাক্ষরিত হয়েছিল।’ ওই সমঝোতা স্মারকের আলোকে গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। আর এই গাইড লাইনকেই বিএনপি সামরিক চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আ.লীগের এ নেতা বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন চীন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ক্ষেত্রসহ অন্যান্য বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল এবং ভারতের সঙ্গেও সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত করেছিল। তখন তাদের কাছে কোনো সমস্যা হয়নি। বিএনপির মতো একটি দলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও গাইডলাইনের মধ্যে পার্থক্য না বোঝা সত্যিই হাস্যকর।

এ সময় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন নাহার লাইলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

ভারত বিরোধীতাই বিএনপির রাজনীতি

প্রকাশিত : ০৪:১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ভারত বিরোধিতা এবং অন্তরালে তাদের পদলেহন করাই বিএনপির রাজনীতি।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ড. হাছান বলেন, ‘২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে সামরিক ক্ষেত্রে সহায়তাসহ সে দেশটির সঙ্গে বেশ কিছু এমওইউ (সমঝোতা স্মারক) স্বাক্ষরিত হয়েছিল।’ ওই সমঝোতা স্মারকের আলোকে গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। আর এই গাইড লাইনকেই বিএনপি সামরিক চুক্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আ.লীগের এ নেতা বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন চীন, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক ক্ষেত্রসহ অন্যান্য বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল এবং ভারতের সঙ্গেও সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত করেছিল। তখন তাদের কাছে কোনো সমস্যা হয়নি। বিএনপির মতো একটি দলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও গাইডলাইনের মধ্যে পার্থক্য না বোঝা সত্যিই হাস্যকর।

এ সময় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন নাহার লাইলী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা ও উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন