০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ২২ বছর পর গ্রেফতার

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া একটি ধর্ষণ মামলায় ২২ বছর পলাতক থাকার পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইসমাইল হোসেন আজাদকে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (১ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন আজাদ, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার জাহাজমারা এলাকার মৃত মৃত ইব্রাহিমের ছেলে।

র‌্যাব-৭ জানিয়েছেন, ২০০১ সালের ২৪ অক্টোবর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া এলাকায় এক নারীকে আসামি ইসমাইল হোসেন আজাদ জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

পরে ভিকটিম বাদী হয়ে ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে ধর্ষক আজাদ গ্রেফতার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় আদালত আসামির অনুপস্থিতিতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকার অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। ২০০৩ সালের ১৬ জুলাই নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থানায় পাঠানো হয়।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নুরুল আবছার জানান, গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন আজাদ পরিচয় গোপন করে খুলনা বাগেরহাটের ঠিকানায় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত করে বলে আমরা জানতে পারি। তিনি ২০০৪ সাল থেকে চট্টগ্রাম নগরে বসবাস করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে অক্সিজেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আজাদ জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতার এড়াতে নিজের নাম ঠিকানা পরিবর্তন করে দীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ নগরের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ২২ বছর পর গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৮:০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

নোয়াখালী জেলার হাতিয়া একটি ধর্ষণ মামলায় ২২ বছর পলাতক থাকার পর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ইসমাইল হোসেন আজাদকে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার (১ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার অক্সিজেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন আজাদ, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া থানার জাহাজমারা এলাকার মৃত মৃত ইব্রাহিমের ছেলে।

র‌্যাব-৭ জানিয়েছেন, ২০০১ সালের ২৪ অক্টোবর নোয়াখালী জেলার হাতিয়া এলাকায় এক নারীকে আসামি ইসমাইল হোসেন আজাদ জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

পরে ভিকটিম বাদী হয়ে ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে ধর্ষক আজাদ গ্রেফতার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় আদালত আসামির অনুপস্থিতিতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লাখ টাকার অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। ২০০৩ সালের ১৬ জুলাই নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল থেকে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থানায় পাঠানো হয়।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নুরুল আবছার জানান, গ্রেফতার ইসমাইল হোসেন আজাদ পরিচয় গোপন করে খুলনা বাগেরহাটের ঠিকানায় জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত করে বলে আমরা জানতে পারি। তিনি ২০০৪ সাল থেকে চট্টগ্রাম নগরে বসবাস করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে অক্সিজেন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান, আজাদ জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেফতার এড়াতে নিজের নাম ঠিকানা পরিবর্তন করে দীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ নগরের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিল। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh