১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

এক সেতুর জন্য ৭ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের সতরাজ বাজার সংলগ্ন মাদরাসা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন সাত গ্ৰামের কয়েক হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সংস্কারের অভাবে সেতুটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, দুধল ইউনিয়নের সতরাজ, দক্ষিণ দুধল, দত্তারাবাদ, কবিরাজ, চাটরা, সরশী গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এ সেতু দিয়ে উপজেলা শহরে আসা-যাওয়া করেন। সাত গ্রামের একমাত্র সংযোগ সেতুটির মাঝখানের লোহার পিলার ভেঙে একদিকে হেলে পড়েছে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় লোকজন প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হচ্ছেন।

 

প্রতিদিন ওই সেতু দিয়ে দক্ষিণ দুধল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুধল ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা, ডি কে পি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মডেল স্কুল, দত্তারাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সতরাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশু ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।

 

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে অনেক চেষ্টা করেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুফল পাইনি। তবে আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এক সেতুর জন্য ৭ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

প্রকাশিত : ০৫:১২:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের সতরাজ বাজার সংলগ্ন মাদরাসা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন সাত গ্ৰামের কয়েক হাজার মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, সংস্কারের অভাবে সেতুটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, দুধল ইউনিয়নের সতরাজ, দক্ষিণ দুধল, দত্তারাবাদ, কবিরাজ, চাটরা, সরশী গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এ সেতু দিয়ে উপজেলা শহরে আসা-যাওয়া করেন। সাত গ্রামের একমাত্র সংযোগ সেতুটির মাঝখানের লোহার পিলার ভেঙে একদিকে হেলে পড়েছে। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয় লোকজন প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সেতু পার হচ্ছেন।

 

প্রতিদিন ওই সেতু দিয়ে দক্ষিণ দুধল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুধল ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা, ডি কে পি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মডেল স্কুল, দত্তারাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাটরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সতরাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশু ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।

 

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে অনেক চেষ্টা করেও এখনো পর্যন্ত কোনো সুফল পাইনি। তবে আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।