১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

স্ত্রীর নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীর থানায় জিডি

রংপুরে স্ত্রীর নির্যাতন সইতে না পেরে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন স্বামী। জানা গেছে, শিবলী নোমানী ,বাড়ি ধাপ চিকলী ভাটা মেডিকেল পূর্বেগেট রংপুর। পিতা মোঃ নুরুল আমিন (৬২)। পরিবারে দুই ভাই ও এক বোন রয়েছে। শিবলী নোমানী পরিবারের বড় ছেলে। শিবলী নোমানের বাবা একজন ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার।
মাতা প্রাইমারির সহকারী শিক্ষিকা। সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতে দিনাতিবাত করিতেছিলেন। ইতিমধ্যে বড় ছেলে শিবলী নোমানীকে বিয়ে দেন বাবা-মা। শিবলী নোমানী ও সরকারি চাকরি করেন। শিবলী নোমানের বিয়ে হয় ২৫ শে মার্চ ২০২০ সাল। শিবলী নোমানীর ঘরে একটি দু বছরের ফুটফুটে একটা পুত্র সন্তান আছে। সুন্দর একটা পরিবার ছিল তাদের। একই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে আসছেন। রুনা শাহ্ র বাবা মোঃ রশিদ মিয়ার মেয়ে রুনা শাহ্ কে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। রফিক মিয়ার বাড়ি, গ্রাম ধনতলা ,কাজীপাড়া থানা :গঙ্গাচড়া। বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই কথা কাটাকাটি হয়। বাসায় তুচ্ছ ঘটনায় রুনা শাহ্ তার স্বামীর গায়ে হাত তোলেন, মারধর করেন। প্রায় সময় অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তাকে চাকরি খাবে, যৌতুকের মামলায় জেলে ঢুকাবে বলে হুমকি দেন। এমনকি শুশুড় শাশুড়ি কে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। স্ত্রীকে বকা দিলে তিনি নারী নির্যাতন মামলার হুমকি দেন। তিনি বলেন, বউয়ের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে থানায় জিডি করেছি,যাহার নং ১৯৯ । আমার স্ত্রী রুনা শাহ্ প্রায়ই আমাকে হুমকি দেয় নারী নির্যাতন মামলা করে আমাকে জেলের ভাত খাওয়াবে। রুনা শাহ্ র অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তার চাওয়া হলো আমার বাবার বাড়ি টি যেন তার নামে লিখে দেয়। স্ত্রীর বিরুদ্ধে কথায় কথায় মারধর, অকথ্য ভাষায় গালাগালি, তালাক দেওয়ার হুমকিসহ নানা অভিযোগে এনে মঙ্গলবার রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্তির সৃষ্টি করে দেয় এবং আমার উপর চড়াও হয়! আমার গায়ের পোশাক টেনে হিচড়ে ছিড়ে ফেলে। অতঃপর তার নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করে জখম করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি ছিল।সেখান থেকে ছাড়পত্র দেন।অতঃপর মেয়ের বাবা-মা এসে অসৎ উদ্দেশ্য সার্জারি বিভাগে পূনরায় ভর্তি করায়। এ ব্যাপারে শিবলী নোমানির স্ত্রী রুনা শাহ্ কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমার ব্যাপারে যে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।প্রত্যক্ষ দোষীরা বলেন, শিবলীর নোমানীর স্ত্রী বরাবরই উশৃংখল। সে শ্বশুর-শাশুড়ি স্বামী কাউকে ও সম্মান দিয়ে কথা বলে না। মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী স্বামী শিবলী নোমানী (৩৩) বাদী হয়ে এ অভিযোগ করেন। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন । রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান ।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ত্রীর নির্যাতন সইতে না পেরে স্বামীর থানায় জিডি

প্রকাশিত : ০৯:২৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুলাই ২০২৩
রংপুরে স্ত্রীর নির্যাতন সইতে না পেরে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন স্বামী। জানা গেছে, শিবলী নোমানী ,বাড়ি ধাপ চিকলী ভাটা মেডিকেল পূর্বেগেট রংপুর। পিতা মোঃ নুরুল আমিন (৬২)। পরিবারে দুই ভাই ও এক বোন রয়েছে। শিবলী নোমানী পরিবারের বড় ছেলে। শিবলী নোমানের বাবা একজন ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার।
মাতা প্রাইমারির সহকারী শিক্ষিকা। সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতে দিনাতিবাত করিতেছিলেন। ইতিমধ্যে বড় ছেলে শিবলী নোমানীকে বিয়ে দেন বাবা-মা। শিবলী নোমানী ও সরকারি চাকরি করেন। শিবলী নোমানের বিয়ে হয় ২৫ শে মার্চ ২০২০ সাল। শিবলী নোমানীর ঘরে একটি দু বছরের ফুটফুটে একটা পুত্র সন্তান আছে। সুন্দর একটা পরিবার ছিল তাদের। একই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে আসছেন। রুনা শাহ্ র বাবা মোঃ রশিদ মিয়ার মেয়ে রুনা শাহ্ কে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। রফিক মিয়ার বাড়ি, গ্রাম ধনতলা ,কাজীপাড়া থানা :গঙ্গাচড়া। বিয়ের পর থেকেই তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রায়ই কথা কাটাকাটি হয়। বাসায় তুচ্ছ ঘটনায় রুনা শাহ্ তার স্বামীর গায়ে হাত তোলেন, মারধর করেন। প্রায় সময় অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তাকে চাকরি খাবে, যৌতুকের মামলায় জেলে ঢুকাবে বলে হুমকি দেন। এমনকি শুশুড় শাশুড়ি কে ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। স্ত্রীকে বকা দিলে তিনি নারী নির্যাতন মামলার হুমকি দেন। তিনি বলেন, বউয়ের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে থানায় জিডি করেছি,যাহার নং ১৯৯ । আমার স্ত্রী রুনা শাহ্ প্রায়ই আমাকে হুমকি দেয় নারী নির্যাতন মামলা করে আমাকে জেলের ভাত খাওয়াবে। রুনা শাহ্ র অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। তার চাওয়া হলো আমার বাবার বাড়ি টি যেন তার নামে লিখে দেয়। স্ত্রীর বিরুদ্ধে কথায় কথায় মারধর, অকথ্য ভাষায় গালাগালি, তালাক দেওয়ার হুমকিসহ নানা অভিযোগে এনে মঙ্গলবার রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্তির সৃষ্টি করে দেয় এবং আমার উপর চড়াও হয়! আমার গায়ের পোশাক টেনে হিচড়ে ছিড়ে ফেলে। অতঃপর তার নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করে জখম করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি ছিল।সেখান থেকে ছাড়পত্র দেন।অতঃপর মেয়ের বাবা-মা এসে অসৎ উদ্দেশ্য সার্জারি বিভাগে পূনরায় ভর্তি করায়। এ ব্যাপারে শিবলী নোমানির স্ত্রী রুনা শাহ্ কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আমার ব্যাপারে যে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।প্রত্যক্ষ দোষীরা বলেন, শিবলীর নোমানীর স্ত্রী বরাবরই উশৃংখল। সে শ্বশুর-শাশুড়ি স্বামী কাউকে ও সম্মান দিয়ে কথা বলে না। মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় ভুক্তভোগী স্বামী শিবলী নোমানী (৩৩) বাদী হয়ে এ অভিযোগ করেন। অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন । রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজুর রহমান ।