০৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

ভেড়ামারা পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় ভাইচ্চার ইউনিয়নে ১২ মাইল টিকটিকি পড়া ও মুন্সিপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর পানির বৃদ্ধির কারণে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ১২ মাইল টিকিপাড়া, মুন্সি পাড়া এলাকার প্রায় ৪ হাজার পরিবারের চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কখন যেন বাড়ি ঘর পদ্মা নদী গর্ভে চলে যায়। জিও ব্যাগ রাবার ব্যাগ ফেলেও কোন লাভ হচ্ছে না।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর তিনটার সময় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন দেখতে এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী (ফরিদপুর) শাজাহান সিরাজ, এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু, আরো উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু, কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হালিম, কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাব ডিভিশন ইমরান সর্দার উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহাগ, বাহিরচর ইউনিয়ন জাসদের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন আবু, চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন সদস্য কারিবুল ইসলাম রনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী শাহাজান সিরাজ সাংবাদিকদের জানান আমরা ইতিমধ্যে জরুরী ভিত্তিতে ২৪ হাজার জিও ব্যাগ ও ২৮৮ টি রাবার ব্যাগ ফেলানোর অনুমোদন হয়েছে। এবং এর কাজ চলমান হয়েছে। টিকটিকে পড়া এলাকার পক্ষ থেকে ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহাগ বলেন, আজ ১৫-২০ দিন হল পদ্মা নদীতে পানির বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে এই ভাঙ্গনকে রোধ না করতে পারলে আমাদের বাড়িঘর কোন কিছুই থাকবে না আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে রাত্রে ঘরে ঘুম আসতে পারছিনা কখন যেন আমার ঘরটি পদ্মা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভেড়ামারা পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন

প্রকাশিত : ০৮:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় ভাইচ্চার ইউনিয়নে ১২ মাইল টিকটিকি পড়া ও মুন্সিপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীর পানির বৃদ্ধির কারণে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ১২ মাইল টিকিপাড়া, মুন্সি পাড়া এলাকার প্রায় ৪ হাজার পরিবারের চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কখন যেন বাড়ি ঘর পদ্মা নদী গর্ভে চলে যায়। জিও ব্যাগ রাবার ব্যাগ ফেলেও কোন লাভ হচ্ছে না।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুর তিনটার সময় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন দেখতে এলাকা পরিদর্শন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী (ফরিদপুর) শাজাহান সিরাজ, এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান মিঠু, আরো উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকাশ কুমার কুন্ডু, কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হালিম, কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদুর রহমান, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাব ডিভিশন ইমরান সর্দার উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহাগ, বাহিরচর ইউনিয়ন জাসদের সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন আবু, চাঁদগ্রাম ইউনিয়ন সদস্য কারিবুল ইসলাম রনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী শাহাজান সিরাজ সাংবাদিকদের জানান আমরা ইতিমধ্যে জরুরী ভিত্তিতে ২৪ হাজার জিও ব্যাগ ও ২৮৮ টি রাবার ব্যাগ ফেলানোর অনুমোদন হয়েছে। এবং এর কাজ চলমান হয়েছে। টিকটিকে পড়া এলাকার পক্ষ থেকে ভেড়ামারা উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহানুর রহমান সোহাগ বলেন, আজ ১৫-২০ দিন হল পদ্মা নদীতে পানির বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে এই ভাঙ্গনকে রোধ না করতে পারলে আমাদের বাড়িঘর কোন কিছুই থাকবে না আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আমরা আমাদের সন্তানদের নিয়ে রাত্রে ঘরে ঘুম আসতে পারছিনা কখন যেন আমার ঘরটি পদ্মা নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh