প্রায় চার কোটি টাকার সেতু দুইটি কোনো কাজে আসছে না স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেতু দুটি নির্মিত হলেও দু’পাশে কোনো টিকসই সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। তবে দু’পাশে কোনো সড়ক না থাকায় বিপাকে স্থানীয় হাজারো মানুষ।
সরেজমিন দেখা গেছে, দু’পাশে ফসলি জমি, মাঝে সেতু। নিচে সেতুতে কোমর সমান পানি। এমন দুর্গম স্থানে সেতু নির্মাণ করেছে, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,ও বিএডিসির কর্তৃপক্ষ। অনেকে খালের কোমর সমান পানির মধ্য দিয়ে পার হচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল মিয়া, রয়েছে ফিকুল ইসলাম সহ অনেকের অভিযোগ, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর বিষয়ে ভালো পরিকল্পনা ছিল না। মই বেয়ে সেতু পারাপার হতে হয়। রাস্তা ছাড়া সেতু নির্মাণ করায় ক্ষুব্ধ।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু কাজে আসছে না।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য লালমনিরহাট বিএডিসির কর্মকর্তা মোসাম্মৎ আকতারুন নাহারের সরকার নাম্বার একাধিক বার ফোন দিলে ও তিনি রিসিভ করেনি।
কথা হয় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ এর সাথে। তিনি বলেন, ত্রাণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থায়নে নির্মিত ব্রিজটি তিস্তার ভয়াবহ বন্যায় সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেটি মাননীয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহম্মেদ পরিদর্শন করেছে। খুব শিগগিরই সেতুটি চলাচলের রাস্তা নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হবে। এদিকে রাস্তা না থাকায় অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে উপজেলার চরবৈরাতী হাজিরহাট খালের উপর সেতু দুটি। দু’পাশের রাস্তা তিস্তার বন্যায় বিলীন হয়ে যায়। ফলে দুর্ভোগের শেষ নেই হাজারো মানুষের।




















