বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিরাজগঞ্জে অভূর্তপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, এর মধ্যে গণপূর্ত বিভাগ থেকে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই ১৫ বছরে জেলায় সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে । জেলায় অসংখ্য ছোট বড় স্থাপনা নিমার্ণ করা হয়েছে এবং বেশ কিছু সংখ্যক কাজ চলমান আছে।
গণপূত অফিসসূত্রে জানা যায়, উল্লেখযোগ্য স্থাপনা গুলোর মধ্যে রয়েছে শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও ৫০০ শয্যার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের হাসপাতাল ভবন নির্মাণ, এটি সিরাজগঞ্জের সর্ববৃহৎ সরকারি স্থাপনা। এটি নিমার্ণ করতে সরকারের প্রায় ৮ হাজার ৮শ ৪২ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয় হচ্ছে, এছাড়া কাজিপুরে বেগম আমিনা মনসুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউট (৮৭ কোটি ৪৬ লাখ ৩২ হাজার) টাকা ব্যয়ে নির্মাণ , সিরাজগঞ্জ চীফজুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ কাজ , শাহজাদপুর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবন নির্মাণ কাজ , জেলা কারাগারের উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ সদর টিটিসি নির্মাণ কাজ , কামারখন্দ টিটিসি নির্মাণ কাজ , শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী আবহাওয়া ডরমিটরী ভবন নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবার এর দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বালক হোস্টেল নির্মাণ কাজ, সিরাজগঞ্জ আনসার ভিডিপি এর ব্যারাক ভবন নির্মাণ কাজ , বেলকুচি উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ , তাড়াশ উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ সার্কিট হাউজের উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ কাজ , রায়গঞ্জ ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ , বেলকুচি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ কাজ , র্যাব-১২ কমপ্লেক্স নির্মাণ, সিরাজগঞ্জ , তাড়াশ কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, উল্লাপাড়া মডেল থানা নির্মাণ কাজ , জেলা রেজিস্ট্রার অফিস নির্মাণ কাজ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ, পুলিশ সুপার এর বিদ্যমান অফিস ভবন উর্দ্ধমুখী করে সিআইডি অফিস নির্মাণ কাজ, তাড়াশ জরাজীর্ণ থানা ভবন নির্মাণ কাজ, কাজিপুর উপজেলাধীন নাটুয়ার পাড়া পুলিশ ফাড়ি নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল ১০০ শয্যা হতে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ কাজ ।
বেলকুচি ইন্সটিটিউট অব ফ্যাশন ডিজাইন সিরাজগঞ্জ নির্মাণ, শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী নদী ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ, তাড়াশ ফায়ার স্টেশন নির্মাণ কাজ, শাহজাদপুর এ এস পি সার্কেল অফিস কাম বাসভবন নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ কোর্ট ভবনের উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ কাজ , শাহজাদপুর হ্যান্ডলুম সার্ভিস সেন্টার নির্মাণ কাজ , কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ মহিলা পুলিশ ব্যারাক নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ ২নং শহর পুলিশ ফাড়ি নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ সদর পৌর ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ , বেলকুচি উপজেলায় রাজাপুর ইউনিয়ন ভূমি, উল্লাপাড়া উপজেলায় বড়হর ইউনিয়ন ভূমি , উল্লাপাড়া উপজেলায় উধুনিয়া ইউনিয়ন ভূমি , সদর উপজেলাধীন বাহুকা ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ , রায়গঞ্জ উপজেলায় সাহেবগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ , বেলকুচি উপজেলায় বেতিল ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ , বেলকুচি উপজেলায় ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ , সলংগা থানা ভবন উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ কাজ , হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা ভবন নির্মাণ কাজ , উল্লাপাড়া উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ , তাড়াশ উপজেলা ভূমি অফিস নির্মাণ কাজ , উল্লাপাড়া সাব-রেজিষ্টার অফিস নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ জেলা সমাজসেবা অফিস কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারী নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারী এর উর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ কাজ , সিরাজগঞ্জ জেলা সদর মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ , সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ , সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলা মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ , বাংলাদেশ তাঁতবোর্ডের আওতায় “৫টি বেসিক সেন্টার ৫টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ১টি ফ্যাশন ডিজাইন ইনস্টিটিউট এবং ২টি মার্কেট প্রমোশন সেন্টার স্থাপন” শীর্ষক প্রকল্পের অধীন সিরাজগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ । শিশুদের বিনোদনের জন্য দৃষ্টিনন্দন শেখ রাসেল শিশু পার্ক প্রকল্প হাতে নেন তিনি। সোনামুখী শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন তিনি। এছাড়া জেলায় অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আরও কিছু উল্লেখযোগ্য স্থাপনা রয়েছে বঙ্গবন্ধু রেল সেতু, ইর্কোনোমিক জোন, বিসিক শিল্পপার্ক, শেখ হাসিনা ট্রমা সেন্টার, শেখ হাসিনা নাসিং কলেজসহ জেলায় বিভিন্ন রাস্তা ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট সহ অসংখ্য স্থাপনা নিমার্ণ করা হয়েছে এবং কিছু কাজ চলমান আছে। সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুরের মানুষের আজীবনের কষ্ট যমুনার আগ্রাসী তান্ডব থেকে রক্ষা করতে তিনি নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করেন। যমুনার উত্তাল জলরাশির ছুটে চলাকে তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে বাঁধ, স্পার ও সবশেষে সিরাজগঞ্জ থেকে কাজিপুরের মেঘাই পর্যন্ত নদী তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন। এছাড়াও ঢেকুরিয়া ইকোপার্ক, মেঘাই পর্যটন কেন্দ্র, যমুনার চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ কাজ চলমান রয়েছে। কাজিপুরে দেশের ৩২তম নদীবন্দর প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে চলছে। এ ছাড়া কাজিপুরে নির্মিত হয়েছে পাঁচতলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, অত্যাধুনিক মনসুর আলী অডিটোরিয়াম ও ৪ তলা বিশিষ্ট কাজিপুর উপজেলা পরিষদ ভবন।
সিরাজগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সারা দেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জেও বর্তমান সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছে এবং বর্তমানে বেশ কিছু কাজ চলমান আছে।
সিরাজগঞ্জ -১ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর শাকিল জয় বলেন , আমার পিতা সারা জীবন দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে গেছেন। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জের প্রতিটি উপজেলায় তার হাতের উন্নয়নের ছোঁয়া লেগে আছে। আপনারা দেখবেন, শহর রক্ষা বাঁধ, জেলার রাস্তাঘাট, থানা স্থাপন ও তার আধুনিকায়ন, পাসপোর্ট অফিস, ভূমি অফিস, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও জেলায় সকল স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ঠ হাসপাতল এবং এর প্রকৌশল অফিস ও স্থাপন করে গেছেন। তাকে হারিয়ে সিরাজগঞ্জবাসী আমার মতো একজন অভিবাভক হারিয়েছে কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে নেতার রেখে যাওয়া সকল কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে, এবং সকল প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করেছে।
সিরাজগঞ্জ-২ (সদর ও কামারখন্দ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডাক্তার হাবিবে মিল্লাত মুন্না বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে মধ্যে অতীতের সকল সরকারের আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে তার চেয়ে বর্তমান সরকার ১৫ বছরে দেশে বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ ও কামারখন্দে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন কাজ হয়েছে এবং আর কিছু কাজ চলমান রয়েছে। যেমন বঙ্গবন্ধু রেল সেতু, ইর্কোনোমিক জোন, বিসিক শিল্পপার্ক, শেখ হাসিনা ট্রমা সেন্টার, শেখ হাসিনা নাসিং কলেজ, সিরাজগঞ্জ ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও ৫শ শয্যার হাসপাতাল , চীফজুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ সহ জেলায় বিভিন্ন রাস্তা ঘাট, ব্রীজ কালভার্ট সহ অসংখ্য স্থাপনা।
সিরাজগঞ্জ জেলা আ.লীগের সভাপতি কেএম হোসেন আলী হাসান জানান, সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন সব হয়েছে বর্তমান আওমীলীগ সরকারের অধীনেই, আর মোহাম্মদ নাসিমের তুলনা কের সঙ্গে নেই, আমরা আজ প্রতিটা সময় তার উপস্থিতি অভাব অনুভব করি। সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন আর মোহাম্মদ নাসিমের নাম অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। চোখে পড়ার মতো যত উন্নয়ন সব তার হাতের ছোঁয়াতেই বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সিরাজগঞ্জের মানুষের স্বার্থরক্ষার জন্য মোহাম্মদ নাসিমের ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। তার কাছে কোনো দাবি জানালে সেটা বাস্তবায়নের জন্য প্রাণপন চেষ্টা করতেন। নদী ভাঙনকবলিত মানুষগুলোকে পুনর্বাসনের দাবি জানালে তিনি তাদের পুনর্বাসিত করার ব্যবস্থা করেছেন।




















