জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে ‘রূপকল্প-২’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন ‘জকিগঞ্জ-১’ অনুসন্ধান কূপ খনন এলাকায় বালি ভরাটের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ করবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) ২০১০-এর আওতায় ‘রূপকল্প-২’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন ‘জকিগঞ্জ-১’ অনুসন্ধান কূপ খনন এলাকায় বালি ভরাটের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন ও অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ কাজের ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ কাজটি পেয়েছে মেসার্স শিবব্রত ভৌমিক লিমিটেড। সূত্র জানায়, ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ১০০০ মিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যে বাপেক্স ১০৮টি কূপ খননের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
১০৮টি কূপের মধ্যে ৫৩টি অনুসন্ধান, ৩৫টি উন্নয়ন ও ২০টি ওয়ার্কওভার রয়েছে। কিন্তু প্রচলিত ক্রয় সংক্রান্ত বিধি অনুসরণ করে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান, আবিষ্কার ও উন্নয়ন করে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে। সূত্র আরও জানায়, সরকারের ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্যাস উন্নয়ন ও জ্বালানি নিরাপত্তা তহবিলের অর্থায়নে ২০১৬-১৭ এবং ২০১৭-১৮ সময়ের জন্য বাপেক্স কর্তৃক গৃহীত বিশেষ উদ্যোগে ১০টি প্রকল্প ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০’ এর আওতায় বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন নেয়া হয়। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে একটি ‘প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটি’ রয়েছে এবং প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণ কমিটিকে সহায়তার জন্য কারিগরি উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে।


























