০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতকানিয়ায় বন্যায় বসত বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব ঢেমশার কয়েকটি পরিবার

ভয়াবহ বন্যায় বসত বাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়নেরকয়েকটি পরিবার। বন্যার পানিতে ভেঙে গেছে এমন অনেক পরিবার রয়েছে যাদের বসতঘর সংস্কারের সামর্থ্য নাই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঢেমশা মাইজ পাড়া ৫নং ওয়ার্ড এলাকার আহমদ কবিরের বসতঘর পুরোপুরি ভেঙে গেছে পেশায় সে রিক্সা চালায়, বসতবাড়ি হারানো আহমদ কবির সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

একই এলাকায় বন্যার পানিতে ভেঙে গেছে মোজাফফর আহমদের বাড়িও। মোজাফফর আহমদ বলেন, এমন ভয়াবহ বন্যা আগে কখনো দেখিনি, বন্যার পানিতে বসতঘর পুরোপুরি ভেঙে গেছে নষ্ট হয়ে গেছে আসবাবপত্র এমন অবস্থায় অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছি । এছাড়াও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মোঃ সরওয়ার, আবু তাহের, আবুল হোসেন এর পরিবার। সরকারের কাছে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বসত ঘর মেরামতের জন্য সাহায্য সহযোগিতা চেয়েছেন বসত ঘর হারানো পরিবারগুলো।

৬নং ওয়ার্ডের সিকদার পাড়া মনসুর আলী অসুস্থ শরীর নিয়ে একজন ১৩ বছরের প্রতিবন্ধী মেয়ে সহ চার সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন, বন্যার পানিতে বিলীন হয়ে গেছে তার বসতবাড়ি ও আসবাবপত্র, সাথে পার্শ্ববর্তী মাহবুবুল আলম ও একই অবস্থা।

মাহবুবুল আলম জানান, বন্যা হবার পর থেকে এখনো পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি কারো কাছ থেকে এাণ সহায়তা পাইনি তারা। তারও একজন প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে, তাদের জন্য এাণ সহায়তা ও বিভিন্ন সাহায্যে সহযোগিতার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি জানান,বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে এবং চলমান রয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ত্রাণ সহায়তা ও বসত বাড়ি হারানো পরিবারের জন্য উপজেলার পক্ষ থেকে সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিন্দুদের নিরাপত্তা কোনো দল নয়, রাষ্ট্র দেবে: ড. আতিক মুজাহিদ

সাতকানিয়ায় বন্যায় বসত বাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব ঢেমশার কয়েকটি পরিবার

প্রকাশিত : ০৩:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৩

ভয়াবহ বন্যায় বসত বাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে সাতকানিয়ার ঢেমশা ইউনিয়নেরকয়েকটি পরিবার। বন্যার পানিতে ভেঙে গেছে এমন অনেক পরিবার রয়েছে যাদের বসতঘর সংস্কারের সামর্থ্য নাই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঢেমশা মাইজ পাড়া ৫নং ওয়ার্ড এলাকার আহমদ কবিরের বসতঘর পুরোপুরি ভেঙে গেছে পেশায় সে রিক্সা চালায়, বসতবাড়ি হারানো আহমদ কবির সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

একই এলাকায় বন্যার পানিতে ভেঙে গেছে মোজাফফর আহমদের বাড়িও। মোজাফফর আহমদ বলেন, এমন ভয়াবহ বন্যা আগে কখনো দেখিনি, বন্যার পানিতে বসতঘর পুরোপুরি ভেঙে গেছে নষ্ট হয়ে গেছে আসবাবপত্র এমন অবস্থায় অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছি । এছাড়াও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মোঃ সরওয়ার, আবু তাহের, আবুল হোসেন এর পরিবার। সরকারের কাছে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বসত ঘর মেরামতের জন্য সাহায্য সহযোগিতা চেয়েছেন বসত ঘর হারানো পরিবারগুলো।

৬নং ওয়ার্ডের সিকদার পাড়া মনসুর আলী অসুস্থ শরীর নিয়ে একজন ১৩ বছরের প্রতিবন্ধী মেয়ে সহ চার সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন, বন্যার পানিতে বিলীন হয়ে গেছে তার বসতবাড়ি ও আসবাবপত্র, সাথে পার্শ্ববর্তী মাহবুবুল আলম ও একই অবস্থা।

মাহবুবুল আলম জানান, বন্যা হবার পর থেকে এখনো পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি কারো কাছ থেকে এাণ সহায়তা পাইনি তারা। তারও একজন প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে, তাদের জন্য এাণ সহায়তা ও বিভিন্ন সাহায্যে সহযোগিতার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন বিশ্বাসের সাথে কথা হলে তিনি জানান,বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানো হয়েছে এবং চলমান রয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ত্রাণ সহায়তা ও বসত বাড়ি হারানো পরিবারের জন্য উপজেলার পক্ষ থেকে সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে