০৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা খুবই উৎসাহজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনা খুবই উৎসাহজনক বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, এ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ৯/১১-এর হামলার ২২তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

নাইন ইলেভেনের টুইন টাওয়ার ধ্বংসযজ্ঞের কথা স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দুঃখের সঙ্গে ৯/১১ টুইন টাওয়ার ধ্বংসযজ্ঞের কথা স্মরণ করছি। এ ঘটনায় ২ হাজার ৯৮৮ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন; যার মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশের এবং ৩ জন আমার নিজের জেলা সিলেটের। আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আমরা আশা করি, এমন ঘটনা আর কখনও হবে না।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সন্ত্রাসী হামলার কারণে কোনো বোমা বিস্ফোরণ, গ্রেনেড হামলা এবং মৃত্যুর ভয়ের ঘটনা ঘটেনি। আর এটি বাংলাদেশে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতিরই ফল।

এ ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে আন্তরিকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। যাতে আর কোনো অজুহাতে সন্ত্রাসবাদী ও মৌলবাদীদের বীভৎস কুৎসিত চেহারাটি ফেরত না আসে, যেমনটি এসেছিল ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা খুবই উৎসাহজনক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বের সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনা খুবই উৎসাহজনক বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, এ নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ৯/১১-এর হামলার ২২তম বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

নাইন ইলেভেনের টুইন টাওয়ার ধ্বংসযজ্ঞের কথা স্মৃতিচারণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি দুঃখের সঙ্গে ৯/১১ টুইন টাওয়ার ধ্বংসযজ্ঞের কথা স্মরণ করছি। এ ঘটনায় ২ হাজার ৯৮৮ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন; যার মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশের এবং ৩ জন আমার নিজের জেলা সিলেটের। আমরা তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আমরা আশা করি, এমন ঘটনা আর কখনও হবে না।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে সন্ত্রাসী হামলার কারণে কোনো বোমা বিস্ফোরণ, গ্রেনেড হামলা এবং মৃত্যুর ভয়ের ঘটনা ঘটেনি। আর এটি বাংলাদেশে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতিরই ফল।

এ ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে আন্তরিকভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। যাতে আর কোনো অজুহাতে সন্ত্রাসবাদী ও মৌলবাদীদের বীভৎস কুৎসিত চেহারাটি ফেরত না আসে, যেমনটি এসেছিল ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ