০৭:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনের তফসিল বাতিল চায় ইসলামী আন্দোলন

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল বাতিলের দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘জাতীয় সংলাপে’ নামের এক অনুষ্ঠানে এই দাবি জানায় দলটি। এতে বিএনপি, এবিপার্টি, গণফোরাম একাংশ, জাগপাসহ বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে তিনটি লিখিত প্রস্তাব তুলে ধরেন দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো- বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন ঘোষিত একতরফা তফসিল বাতিল করে গ্রেপ্তার বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা।

দ্বিতীয়টি হলো- সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের নির্বাচন। তৃতীয় প্রস্তাব- কার্যকরী সংসদ, রাজনৈতিক সংহতি এবং শতভাগ জনমতের প্রতিফলনের জন্য সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন।

লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, বিরোধী মতকে স্তব্ধ করার জন্য বিভিন্নমুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সরকার। বিরোধীদল নির্বাচনের আগে চরম দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েছে। শত শত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা, গায়েবি মামলা ও বিরোধী দলের মৃত ব্যক্তির নামে কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। জেলখানার ধারণ ক্ষমতার তিন গুন আসামি কারাবন্দি।

তিনি বলেন, সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি যা মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এসআর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ১০০০তম বোর্ড সভা

নির্বাচনের তফসিল বাতিল চায় ইসলামী আন্দোলন

প্রকাশিত : ০২:০১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৩

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল বাতিলের দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘জাতীয় সংলাপে’ নামের এক অনুষ্ঠানে এই দাবি জানায় দলটি। এতে বিএনপি, এবিপার্টি, গণফোরাম একাংশ, জাগপাসহ বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে তিনটি লিখিত প্রস্তাব তুলে ধরেন দলটির আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো- বিতর্কিত নির্বাচন কমিশন ঘোষিত একতরফা তফসিল বাতিল করে গ্রেপ্তার বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মুক্তি দিয়ে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা।

দ্বিতীয়টি হলো- সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের নির্বাচন। তৃতীয় প্রস্তাব- কার্যকরী সংসদ, রাজনৈতিক সংহতি এবং শতভাগ জনমতের প্রতিফলনের জন্য সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচন।

লিখিত বক্তব্যে মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, বিরোধী মতকে স্তব্ধ করার জন্য বিভিন্নমুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সরকার। বিরোধীদল নির্বাচনের আগে চরম দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েছে। শত শত মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা, গায়েবি মামলা ও বিরোধী দলের মৃত ব্যক্তির নামে কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। জেলখানার ধারণ ক্ষমতার তিন গুন আসামি কারাবন্দি।

তিনি বলেন, সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি যা মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এসআর