০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশের শীর্ষ নেতা ‘তৌহিদুর রহমান’ গ্রেফতার

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর।গত ২২ অক্টোবর ২০০৯-এ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সংগঠনটি।সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিটিং করে হিজবুত তাহরীর লিফলেট এবং পোষ্টার বিতরণের মাধ্যমে সরকার এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম করে থাকেন।মাদ্রাসা ও স্কুলের ছাত্রদেরকে তথা তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গীবাদে উৎসাহিত করেন। তিনি গণতন্ত্রকে ভাইরাস আখ্যা দিয়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজ করতেন।

গতকাল ৬ ডিসেম্বর ২৩ ইং কক্সবাজার থেকে হিজবুত তাহরীরের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে সক্রিয় নেতৃত্বদানকারী মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ সিফাত (২৯) টাঙ্গাইল’কে ডিএমপির কাউটার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্স নাশনাল ক্রাইম (সিটিসিসি) এর ইন্টেলিজেন্স এ্যানালাইসিস ডিভিশন ট্রিম গ্রেফতার করে।

হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে জঙ্গি ও মৌলবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তারা প্রচলিত সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে না এবং দেশের প্রচলিত সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে অমান্য করে যে কোন বড় ধরনের আঘাত ঘটাতে পারে। এর ভিত্তিতে বিগত ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শুরু থেকেই এ সংগঠনের সদস্যগন দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত ও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াসে একটি নিষিদ্ধ সংগঠন বা সত্তার সদস্য হিসেবে সক্রিয়ভাবে অনলাইনে দেশবিরোধী প্রচারনায় অংশগ্রহণ করে।

গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সত্তা বা সংগঠনকে সমর্থন করে উহার কর্মকান্ডকে গতিশীল করা উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রচার প্রচারনায় অংশগ্রহণ করে এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত করার জন্য, গনতন্ত্রকে উৎখাত করার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। এ বছর এপ্রিল মাসে একটি অনলাইন সম্মেলনের পর গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় তারা “যালিম হাসিনা এবং ঔপনিবেশবাদী মার্কিনীদের কবল থেকে মুক্তির উপায়” Confererence: Way Out- From the Clutches of Tyrant Hasina and Colonialist America” শীর্ষক অনলাইন সম্মেলনের আয়োজন করে।সম্মেলনটি লেবানন ভিত্তিক ALWAQIYA.TV নামক ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি প্রচার করা হয়।

এ সম্মেলনে অংশগ্রহন করার জন্য তারা ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে পোস্টার লাগায় এবং অনলাইনে প্রচার-প্রচারণা চালায়। সম্মেলনে দুইজন বক্তা এবং একজন উপস্থাপক অংশগ্রহন করে যেখানে সবাই ছদ্মনাম ব্যবহার করে। এ সম্মেলনে বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্টসহ বিভিন্ন দেশের সাথে সরকারের সম্পর্ক প্রভৃতি সম্পর্কে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে বর্তমান পরিস্থিতি বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তাছাড়া এ সম্মেলনে মাধ্যমে নবী মুহম্মদ (সঃ) এর বিভিন্ন ঘটনা, ইসলামের ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা প্রভৃতি তাদের মত করে উদাহরন দিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত করে হিজবুত তাহরীরের অনুসারী হওয়ার আহবান জানিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসি প্রধান মোঃ আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন অভিযুক্ত তৌহিদ,সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে এমবিএ শেষ করে বর্তমানে ফ্রিলান্সিং করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ২০১১ সালে ০২ জন বন্ধুর মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্রীর সম্পর্কে প্রথম জানতে পারে এবং এ সংগঠনে যোগদান করে। সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে সে হিজবুত তাহরীর করার অভিযোগে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে হাজারীবাগ থানার মামলায় সাড়ে চার মাস জেলে অবস্থান করে। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পুনরায় হিজবুত তাহরীরের সদস্য হিসাবে কার্যক্রম অব্যহত রাখে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে আরও সক্রিয়ভাবে সংঘঠনের কার্যক্রম শুরু করে সংগঠনটি অন্যতম শীর্ষ স্থান দখল করে।

তারা সংগঠনের জন্য তৈরীকৃত বিশেষ এ্যাপসের মাধ্যমে অন্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে ফলে বেশীর সময় তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকে। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে পুনরায় সে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে আদালতে সোর্পদ হয়। নয় মাস কারাভোগের পর সে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও আরও সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে হিজবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে।

তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে সমন্বয় করে তাদের কার্যক্রম চলমান রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ও দেশ বিরোধী পোস্টার, মসজিদে মসজিদে নামাজের পর বয়ান প্রভৃতি কার্যক্রমে সে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত মর্মেও জানা যায়। তাছাড়া অনলাইন সম্মেলনগুলিতে সে প্রধান সমন্বয়ক ও ক্ষেত্র বিশেষে প্রধান বক্তা হিসেবে ভূমিকা পালন করে। সে আরও জানায়, তারা এমন কিছু জায়গা পছন্দ করেছে যেগুলো হয়ত সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাধীন না বা গোয়েন্দা নজদারীর বাইরে। এবং তারা কখনই ঐ জায়গাগুলোর বাইরে পোস্টারিং করে না। হিযবুত তাহরীরের সদস্যরাও মাঠ পর্যায়ে ‘স্লিপার সেল’ পদ্ধতিতে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। যাতে একজন ধরা পড়লে অন্যদের বিষয়ে কোনও তথ্য সে দিতে না পারে।

অনলাইন সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ সিফাতকে রমনা মডেল থানা, ঢাকায় অনলাইন মিটিং সংক্রান্তে দায়ের করা সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর এজহার নামীয় আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনী কার্যক্রম চলমান আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশের শীর্ষ নেতা ‘তৌহিদুর রহমান’ গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৪:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর।গত ২২ অক্টোবর ২০০৯-এ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সংগঠনটি।সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিটিং করে হিজবুত তাহরীর লিফলেট এবং পোষ্টার বিতরণের মাধ্যমে সরকার এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম করে থাকেন।মাদ্রাসা ও স্কুলের ছাত্রদেরকে তথা তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গীবাদে উৎসাহিত করেন। তিনি গণতন্ত্রকে ভাইরাস আখ্যা দিয়ে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজ করতেন।

গতকাল ৬ ডিসেম্বর ২৩ ইং কক্সবাজার থেকে হিজবুত তাহরীরের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে সক্রিয় নেতৃত্বদানকারী মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ সিফাত (২৯) টাঙ্গাইল’কে ডিএমপির কাউটার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্স নাশনাল ক্রাইম (সিটিসিসি) এর ইন্টেলিজেন্স এ্যানালাইসিস ডিভিশন ট্রিম গ্রেফতার করে।

হিজবুত তাহরীর বাংলাদেশে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে জঙ্গি ও মৌলবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। তারা প্রচলিত সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে বিশ্বাস করে না এবং দেশের প্রচলিত সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে অমান্য করে যে কোন বড় ধরনের আঘাত ঘটাতে পারে। এর ভিত্তিতে বিগত ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এ সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শুরু থেকেই এ সংগঠনের সদস্যগন দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত ও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াসে একটি নিষিদ্ধ সংগঠন বা সত্তার সদস্য হিসেবে সক্রিয়ভাবে অনলাইনে দেশবিরোধী প্রচারনায় অংশগ্রহণ করে।

গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সত্তা বা সংগঠনকে সমর্থন করে উহার কর্মকান্ডকে গতিশীল করা উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রচার প্রচারনায় অংশগ্রহণ করে এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত করার জন্য, গনতন্ত্রকে উৎখাত করার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। এ বছর এপ্রিল মাসে একটি অনলাইন সম্মেলনের পর গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় তারা “যালিম হাসিনা এবং ঔপনিবেশবাদী মার্কিনীদের কবল থেকে মুক্তির উপায়” Confererence: Way Out- From the Clutches of Tyrant Hasina and Colonialist America” শীর্ষক অনলাইন সম্মেলনের আয়োজন করে।সম্মেলনটি লেবানন ভিত্তিক ALWAQIYA.TV নামক ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি প্রচার করা হয়।

এ সম্মেলনে অংশগ্রহন করার জন্য তারা ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে পোস্টার লাগায় এবং অনলাইনে প্রচার-প্রচারণা চালায়। সম্মেলনে দুইজন বক্তা এবং একজন উপস্থাপক অংশগ্রহন করে যেখানে সবাই ছদ্মনাম ব্যবহার করে। এ সম্মেলনে বক্তারা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্টসহ বিভিন্ন দেশের সাথে সরকারের সম্পর্ক প্রভৃতি সম্পর্কে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে বর্তমান পরিস্থিতি বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তাছাড়া এ সম্মেলনে মাধ্যমে নবী মুহম্মদ (সঃ) এর বিভিন্ন ঘটনা, ইসলামের ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনা প্রভৃতি তাদের মত করে উদাহরন দিয়ে জনগনকে বিভ্রান্ত করে হিজবুত তাহরীরের অনুসারী হওয়ার আহবান জানিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসি প্রধান মোঃ আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন অভিযুক্ত তৌহিদ,সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে এমবিএ শেষ করে বর্তমানে ফ্রিলান্সিং করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ২০১১ সালে ০২ জন বন্ধুর মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্রীর সম্পর্কে প্রথম জানতে পারে এবং এ সংগঠনে যোগদান করে। সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে সে হিজবুত তাহরীর করার অভিযোগে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে হাজারীবাগ থানার মামলায় সাড়ে চার মাস জেলে অবস্থান করে। জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পুনরায় হিজবুত তাহরীরের সদস্য হিসাবে কার্যক্রম অব্যহত রাখে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে আরও সক্রিয়ভাবে সংঘঠনের কার্যক্রম শুরু করে সংগঠনটি অন্যতম শীর্ষ স্থান দখল করে।

তারা সংগঠনের জন্য তৈরীকৃত বিশেষ এ্যাপসের মাধ্যমে অন্য সদস্যদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে ফলে বেশীর সময় তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকে। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে পুনরায় সে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়ে আদালতে সোর্পদ হয়। নয় মাস কারাভোগের পর সে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও আরও সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে হিজবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করে।

তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে সমন্বয় করে তাদের কার্যক্রম চলমান রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ও দেশ বিরোধী পোস্টার, মসজিদে মসজিদে নামাজের পর বয়ান প্রভৃতি কার্যক্রমে সে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত মর্মেও জানা যায়। তাছাড়া অনলাইন সম্মেলনগুলিতে সে প্রধান সমন্বয়ক ও ক্ষেত্র বিশেষে প্রধান বক্তা হিসেবে ভূমিকা পালন করে। সে আরও জানায়, তারা এমন কিছু জায়গা পছন্দ করেছে যেগুলো হয়ত সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাধীন না বা গোয়েন্দা নজদারীর বাইরে। এবং তারা কখনই ঐ জায়গাগুলোর বাইরে পোস্টারিং করে না। হিযবুত তাহরীরের সদস্যরাও মাঠ পর্যায়ে ‘স্লিপার সেল’ পদ্ধতিতে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। যাতে একজন ধরা পড়লে অন্যদের বিষয়ে কোনও তথ্য সে দিতে না পারে।

অনলাইন সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ সিফাতকে রমনা মডেল থানা, ঢাকায় অনলাইন মিটিং সংক্রান্তে দায়ের করা সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর এজহার নামীয় আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনী কার্যক্রম চলমান আছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে