বিএনপি সন্ত্রাসী দল আর জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের দল, এরা নির্বাচনে না আসলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না এটা বিশ্বাস করি না। ভোটারদের অংশগ্রহণেই নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক- জামালপুরে ভার্চুয়াল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ
জামালপুরে নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।
একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা কে ধরে রাখতে পারবে, এবার যেহেতু নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা রকম চক্রান্ত, সে কারণে নির্বাচনটা যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হয় সেই জন্য আপনারা জনগণের ঘরে ঘরে গিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করবেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল ও জামাত যুদ্ধাপরাধী দল। ওরা নির্বাচনে বিশ্বাস করে না। ওদের দিয়ে দেশের কল্যাণ আসবেনা, মানুষ খুন ছাড়া দুর্নীতি ছাড়া তারা কিছুই দিতে পারবে না। তারা নির্বাচনে না আসলেও অংশগ্রহণমূলক হবে। এজন্য আমরা প্রার্থীদের উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আমরা নৌকা মার্কা দিয়েছি, পাশাপাশি কেউ নির্বাচন করতে চাইলে করবে। জনগণ যাকে খুশি ভোট দিবে তারাই নির্বাচিত হবে। তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবেন। আমাদের স্লোগান, আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। জনগণ যাকে ভোট দিবে সেটাই মেনে নিবেন।
বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর বিকালে জামালপুর জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম তিনটি বিভাগের ৬টি জেলা জামালপুর, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, বান্দরবান ও চাঁদপুর জেলার সাথে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের জামালপুর -১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) মো: নুর মোহাম্মদ, জামালপুর-২ (ইসলামপুর) ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান এমপি, জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) মোঃ মাহবুবুর রহমান, জামালপুর-৫ (সদর) প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ কে প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ





















