০৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

তিস্তা প্রকল্পে চীনের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি থাকলে ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোতে হবে : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

তিস্তা প্রকল্পে চীনের প্রস্তাবের বিষয়ে ভারতের আপত্তি থাকলে সেটা ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় নিষ্পত্তি হবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন।

তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে ভারতের আপত্তির বিষয়টি সরকার কীভাবে মোকাবিলা করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সেহেলী সাবরীন জানান, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে তারা সহযোগিতা করে আসছে। তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহযোগিতা করার ব্যাপারেও চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বিবেচনা করে দেখবে।

চীন বলছে নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্পে কাজ শুরু হবে, কিন্তু চীন যেখানে তিস্তার কাজ করবে, তার থেকে শিলিগুড়ি করিডোর খুব দূরে নয়। শিলিগুড়ি করিডোরকে ভারত ‘চিকেন্স নেক’ নামেও অভিহিত করে। দেশটি মনে করে, তিস্তা উন্নয়নে কাজের নামে চীন এটাকে নিজেদের কবজায় নিতে চায়।

এ কারণে ভারত তার চিকেন নেকের সামনে চীনের উপস্থিতি দেখতে চায় না। এ ক্ষেত্রে তিস্তায় চীনের কাজ নিয়ে ভারতের আপত্তি কতটুকু আমলে নেওয়া হবে?—এমন প্রশ্নের উত্তরে সেহেলী সাবরীন বলেন, এ রকম কোনো প্রস্তাব যদি থাকে, তখন ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মৌলভীবাজারে যেকোনো ধরনের অপরাধ ও নাশকতা প্রতিরোধে প্রস্তুত বিজিবি

তিস্তা প্রকল্পে চীনের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি থাকলে ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোতে হবে : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত : ০৭:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

তিস্তা প্রকল্পে চীনের প্রস্তাবের বিষয়ে ভারতের আপত্তি থাকলে সেটা ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় নিষ্পত্তি হবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন।

তিস্তা প্রকল্পের বিষয়ে ভারতের আপত্তির বিষয়টি সরকার কীভাবে মোকাবিলা করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সেহেলী সাবরীন জানান, চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে তারা সহযোগিতা করে আসছে। তিস্তা নদীর বাংলাদেশ অংশের উন্নয়নমূলক প্রকল্পে সহযোগিতা করার ব্যাপারেও চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বিবেচনা করে দেখবে।

চীন বলছে নির্বাচনের পর তিস্তা প্রকল্পে কাজ শুরু হবে, কিন্তু চীন যেখানে তিস্তার কাজ করবে, তার থেকে শিলিগুড়ি করিডোর খুব দূরে নয়। শিলিগুড়ি করিডোরকে ভারত ‘চিকেন্স নেক’ নামেও অভিহিত করে। দেশটি মনে করে, তিস্তা উন্নয়নে কাজের নামে চীন এটাকে নিজেদের কবজায় নিতে চায়।

এ কারণে ভারত তার চিকেন নেকের সামনে চীনের উপস্থিতি দেখতে চায় না। এ ক্ষেত্রে তিস্তায় চীনের কাজ নিয়ে ভারতের আপত্তি কতটুকু আমলে নেওয়া হবে?—এমন প্রশ্নের উত্তরে সেহেলী সাবরীন বলেন, এ রকম কোনো প্রস্তাব যদি থাকে, তখন ভূরাজনৈতিক বিবেচনায় এগোতে হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh