১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

মসজিদে নববীর ইমাম পরিচয়ে প্রতারণা, ১৯ ‘দরবেশ বাবা’ গ্রেপ্তার

গুরুতর প্রতারণার অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দরবেশ বাবা পরিচয়ে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার কথা বলে প্রতারণা করতো তারা। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো সিআইডির  এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, দরবেশ বাবা পরিচয়ে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের নামে প্রতারণা করতো একটি চক্র। বিশেষ অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্পদশালী ব্যক্তিদের দারোয়ান বা ড্রাইভারের সঙ্গে সম্পর্ক করে প্রতারক চক্র। ধনী ব্যক্তিদের পারিবারিক সমস্যা সুকৌশলে জেনে নেয় তারা। পরে সেসব পরিবারের স্ত্রীর কাছে স্বামীর বদনাম এবং স্বামীর কাছে স্ত্রীর বদনাম করে কান ভারী করে। এতে উভয়ের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। প্রত্যেকে সমস্যা নিরসনে পথ খুঁজতে থাকে। সেই সুযোগে মসজিদে নববীর ইমামের নাম প্রয়োগ করে প্রতারণা করে চক্রটি।

এতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চমকপ্রদ ও চোখ ঝলসানো বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রলুব্ধ করে প্রতারক চক্র। সেসবে লটারি পাইয়ে দেয়া, ভাগ্যবদল, পাওনা টাকা আদায়, মামলায় জেতানো, পারিবারিক সমস্যা সমাধানের কথা বলে। আধ্যাত্মিক ও তান্ত্রিক ক্ষমতা বলে বিপদগ্রস্থ মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যত বলে দিতে পারে তারা। এরপর বিজ্ঞাপনে থাকা মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে শুরু হয় পকেট কাটা।

এ অভিযোগে ১৯ জনকে মাগুরা জেলা এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। খিলগাঁও থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায় বলেও জানানো হয়।

ট্যাগ :

“পাঁচ বছরের মধ্যে গজারিয়ার সব রাস্তা ও ব্রিজের কাজ সম্পন্ন করা হবে” : মির্জা ফখরুল

মসজিদে নববীর ইমাম পরিচয়ে প্রতারণা, ১৯ ‘দরবেশ বাবা’ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৯:২১:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

গুরুতর প্রতারণার অভিযোগে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দরবেশ বাবা পরিচয়ে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করার কথা বলে প্রতারণা করতো তারা। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো সিআইডির  এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়। এতে বলা হয়, দরবেশ বাবা পরিচয়ে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের নামে প্রতারণা করতো একটি চক্র। বিশেষ অভিযান চালিয়ে ওই চক্রের ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্পদশালী ব্যক্তিদের দারোয়ান বা ড্রাইভারের সঙ্গে সম্পর্ক করে প্রতারক চক্র। ধনী ব্যক্তিদের পারিবারিক সমস্যা সুকৌশলে জেনে নেয় তারা। পরে সেসব পরিবারের স্ত্রীর কাছে স্বামীর বদনাম এবং স্বামীর কাছে স্ত্রীর বদনাম করে কান ভারী করে। এতে উভয়ের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। প্রত্যেকে সমস্যা নিরসনে পথ খুঁজতে থাকে। সেই সুযোগে মসজিদে নববীর ইমামের নাম প্রয়োগ করে প্রতারণা করে চক্রটি।

এতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চমকপ্রদ ও চোখ ঝলসানো বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রলুব্ধ করে প্রতারক চক্র। সেসবে লটারি পাইয়ে দেয়া, ভাগ্যবদল, পাওনা টাকা আদায়, মামলায় জেতানো, পারিবারিক সমস্যা সমাধানের কথা বলে। আধ্যাত্মিক ও তান্ত্রিক ক্ষমতা বলে বিপদগ্রস্থ মানুষের বর্তমান ও ভবিষ্যত বলে দিতে পারে তারা। এরপর বিজ্ঞাপনে থাকা মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে শুরু হয় পকেট কাটা।

এ অভিযোগে ১৯ জনকে মাগুরা জেলা এবং ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। খিলগাঁও থানায় দায়ের করা একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায় বলেও জানানো হয়।