০৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

জুমার দিনে কোন বিশেষ আমলে গুরুত্ব দিয়েছেন নবীজি (স.)

  • ধর্ম ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১২:৩৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 148

ফাইল ছবি

প্রত্যেক মুমিন বান্দার কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন জুমাবার । সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত দিনটি। সপ্তাহের বিশেষ এ দিনের জন্য বিশেষ কিছু আমল আছে, যেগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলা অনেক বেশি পরিমাণ সওয়াব দান করেন তার বান্দাকে। এর মধ্যে দরুদ পাঠের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন নবীজি (স.)।

নবীজির ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা জুমার দিনের বিশেষ আমল। রাসুল (স.) এ সম্পর্কে বলেন, ‘দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিনই সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। এই দিনে সমস্ত সৃষ্টিকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরুদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে।’ (আবু দাউদ: ১০৪৭)

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য হাদিসে নবী (স.) বলেন, ‘তোমরা জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ জিবরাইল (আ.) এইমাত্র আল্লাহ তা’আলার বাণী নিয়ে হাজির হয়েছেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘পৃথিবীতে যখন কোনও মুসলমান আপনার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আমি তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করি এবং আমার সব ফেরেশতা তার জন্য ১০ বার ইস্তেগফার করে।’ (তারগিব: ৩/২৯৯)

আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেন, ‘আমার ওপর জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ আমার উম্মতের দরুদ জুমার দিন আমার কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি আমার ওপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠাবে, সে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটতম হবে।’ (তারগিব: ১৫৭)

আলী (রা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নবী করিম (স.)-এর ওপর জুমার দিন ১০০ বার দরুদ পাঠ করে, সে কেয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উঠবে যে, তার চেহারায় নূরের জ্যোতি দেখে লোকরা বলাবলি করতে থাকবে এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল!’ (কানজুল উম্মাল: ১৭৪)

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

জুমার দিনে কোন বিশেষ আমলে গুরুত্ব দিয়েছেন নবীজি (স.)

প্রকাশিত : ১২:৩৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রত্যেক মুমিন বান্দার কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন জুমাবার । সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত দিনটি। সপ্তাহের বিশেষ এ দিনের জন্য বিশেষ কিছু আমল আছে, যেগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলা অনেক বেশি পরিমাণ সওয়াব দান করেন তার বান্দাকে। এর মধ্যে দরুদ পাঠের ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন নবীজি (স.)।

নবীজির ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা জুমার দিনের বিশেষ আমল। রাসুল (স.) এ সম্পর্কে বলেন, ‘দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিনই সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। এই দিনে শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে। এই দিনে সমস্ত সৃষ্টিকে বেহুঁশ করা হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরুদ আমার সম্মুখে পেশ করা হয়ে থাকে।’ (আবু দাউদ: ১০৪৭)

আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য হাদিসে নবী (স.) বলেন, ‘তোমরা জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ জিবরাইল (আ.) এইমাত্র আল্লাহ তা’আলার বাণী নিয়ে হাজির হয়েছেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘পৃথিবীতে যখন কোনও মুসলমান আপনার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আমি তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করি এবং আমার সব ফেরেশতা তার জন্য ১০ বার ইস্তেগফার করে।’ (তারগিব: ৩/২৯৯)

আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেন, ‘আমার ওপর জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ আমার উম্মতের দরুদ জুমার দিন আমার কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি আমার ওপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠাবে, সে ব্যক্তি কেয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে নিকটতম হবে।’ (তারগিব: ১৫৭)

আলী (রা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নবী করিম (স.)-এর ওপর জুমার দিন ১০০ বার দরুদ পাঠ করে, সে কেয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উঠবে যে, তার চেহারায় নূরের জ্যোতি দেখে লোকরা বলাবলি করতে থাকবে এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল!’ (কানজুল উম্মাল: ১৭৪)

বিজনেস বাংলাদেশ/একে