০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনায় ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সরকার।

এই কমিটি ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সোমবার প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোটা পর্যালোচনা সংক্রান্ত এই কমিটি বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার, বাতিলের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব।

কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি) এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবেন।

কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনের কথা জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মমিনুল হক সোমবার রাতে বলেছেন, বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা বা সংস্কার বা বাতিল করতে এই কমিটি করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘোষণার’ প্রায় তিন মাস পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই কমিটি করল।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত; এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।

কোটার পরিমাণ ১০ শতাংশে কমিয়ে আনার দাবিতে কয়েক মাস আগে জোরাল আন্দোলন গড়ে তোলে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’, যা ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনায় ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

প্রকাশিত : ১০:৫০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সরকার।

এই কমিটি ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন পেশ করবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সোমবার প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোটা পর্যালোচনা সংক্রান্ত এই কমিটি বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা, সংস্কার, বাতিলের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে সুপারিশসহ সরকারের কাছে প্রতিবেদন পেশ করবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব।

কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিধি) এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবেন।

কমিটি গঠনের প্রজ্ঞাপনের কথা জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মমিনুল হক সোমবার রাতে বলেছেন, বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা বা সংস্কার বা বাতিল করতে এই কমিটি করা হয়েছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘোষণার’ প্রায় তিন মাস পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই কমিটি করল।

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত; এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ।

কোটার পরিমাণ ১০ শতাংশে কমিয়ে আনার দাবিতে কয়েক মাস আগে জোরাল আন্দোলন গড়ে তোলে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’, যা ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে।