০২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

দুই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতির কারণ জানালেন ওবায়দুল কাদের

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “দায়িত্ব পালনে কোনো প্রকার বিচ্যুতি ঘটেছে বলেই তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।”

বুধবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, “আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। সে বিষয়ে আপনারা কি আগে রিপোর্ট করেছিলেন? সেটা এখন পাচ্ছেন আপনারা।”

তাদের (দুই কর্মকর্তার) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ আছে কি না সেটা আমি জানি না। নিশ্চয়ই তাদের কর্তব্যে কোনো প্রকার বিচ্যুতি ঘটেছে। তবে সেটি কী রকম আমি জানি না।”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলে এক বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “তারা বলছে বেনজীর, আজিজ আহমেদরা আওয়ামী লীগের সৃষ্টি। আমি জানতে চাই, আশরাফুল হুদা, রকিবুল হুদা, কহিনূর, এরা কাদের সৃষ্টি? আমি জানতে চাই, দুর্নীতি লুটপাটের হাওয়া ভবন এটা কার সৃষ্টি? এসব প্রশ্নের জবাব চাই। তারা প্রশ্ন করেছে, আমিও পাল্টা প্রশ্ন করছি, রকিবুল হুদা সাবেক আইজিপি ছিলেন, চট্টগ্রামে ২৪ জানুয়ারি আমাদের নেত্রীর সভায় তাকে টার্গেট করে গুলি করা হয়েছিল, হামলা করা হয়েছিল। তারা কি এসবের বিচার করেছে?”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “বেনজীর আওয়ামী লীগ আমলে আমাদের আইজিপি ছিলেন। এখন তার ব্যাপারটা…এখন এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। ব্যক্তির জন্য আমরা তো একটা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করতে পারি না। ব্যাপারটা যখন প্রকাশ্যে এসেছে তখন দুদক তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে নিশ্চয়ই মামলা করবে। যে যতটা অপরাধ, অপকর্ম করেছে তাকে ততটা শাস্তি পেতে হবে। বিএনপির আমলে তাদের কোনো নেতা, সরকারি কোনো কর্মকর্তা, পুলিশের সাবেক কোন কর্মকর্তা অপরাধের জন্য শাস্তি পেয়েছেন? শেখ হাসিনার সৎ সাহস আছে, সে কারণে তিনি দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। যখনই যেটা প্রকাশ পাচ্ছে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সেই করোনার সময় ফেক হসপিটাল করে যারা অপকর্ম করেছিল তাদের কিন্তু আমাদের নেত্রী ক্ষমা করেননি। এখনো অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি পেতেই হবে, এখানে কোনো ছাড় নেই।”

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দুই কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতির কারণ জানালেন ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত : ০৯:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার নিয়োগ বাতিল প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “দায়িত্ব পালনে কোনো প্রকার বিচ্যুতি ঘটেছে বলেই তাদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।”

বুধবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, “আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার চুক্তি বাতিল করা হয়েছে। সে বিষয়ে আপনারা কি আগে রিপোর্ট করেছিলেন? সেটা এখন পাচ্ছেন আপনারা।”

তাদের (দুই কর্মকর্তার) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ আছে কি না সেটা আমি জানি না। নিশ্চয়ই তাদের কর্তব্যে কোনো প্রকার বিচ্যুতি ঘটেছে। তবে সেটি কী রকম আমি জানি না।”

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলে এক বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, “তারা বলছে বেনজীর, আজিজ আহমেদরা আওয়ামী লীগের সৃষ্টি। আমি জানতে চাই, আশরাফুল হুদা, রকিবুল হুদা, কহিনূর, এরা কাদের সৃষ্টি? আমি জানতে চাই, দুর্নীতি লুটপাটের হাওয়া ভবন এটা কার সৃষ্টি? এসব প্রশ্নের জবাব চাই। তারা প্রশ্ন করেছে, আমিও পাল্টা প্রশ্ন করছি, রকিবুল হুদা সাবেক আইজিপি ছিলেন, চট্টগ্রামে ২৪ জানুয়ারি আমাদের নেত্রীর সভায় তাকে টার্গেট করে গুলি করা হয়েছিল, হামলা করা হয়েছিল। তারা কি এসবের বিচার করেছে?”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “বেনজীর আওয়ামী লীগ আমলে আমাদের আইজিপি ছিলেন। এখন তার ব্যাপারটা…এখন এটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। ব্যক্তির জন্য আমরা তো একটা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করতে পারি না। ব্যাপারটা যখন প্রকাশ্যে এসেছে তখন দুদক তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে নিশ্চয়ই মামলা করবে। যে যতটা অপরাধ, অপকর্ম করেছে তাকে ততটা শাস্তি পেতে হবে। বিএনপির আমলে তাদের কোনো নেতা, সরকারি কোনো কর্মকর্তা, পুলিশের সাবেক কোন কর্মকর্তা অপরাধের জন্য শাস্তি পেয়েছেন? শেখ হাসিনার সৎ সাহস আছে, সে কারণে তিনি দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স। যখনই যেটা প্রকাশ পাচ্ছে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সেই করোনার সময় ফেক হসপিটাল করে যারা অপকর্ম করেছিল তাদের কিন্তু আমাদের নেত্রী ক্ষমা করেননি। এখনো অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি পেতেই হবে, এখানে কোনো ছাড় নেই।”

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/BH