১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

‘আইনটি হবে জনবান্ধব ও মিডিয়াবান্ধব’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগের কোন কারণ নেই। এই আইনটি হবে জনবান্ধব ও মিডিয়াবান্ধব। সংসদের আগামী অধিবেশনে আইনটি পাস হতে পারে।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতা খর্ব করে কোন আইন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রণয়ন করবে না।

তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি এখনও পরিস্কারভাবে বলছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কিছুতেই বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সংবিধানে যে বাক স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উল্লেখ আছে সেটাকে খর্ব করে কোন আইন প্রণয়ন করবে না, করবে না, করবে না।

আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি বর্তমানে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটিতে আছে। ব্যাপক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আইনটিকে জনবান্ধব করতেই দফায় দফায় সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছি। স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকেও সাংবাদিক নেতারা দুবার অংশ নিয়েছেন। আজকের বৈঠকেও ওই আইনের খুঁটিনাটি বিষয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক নেতারা অনেক প্রস্তাব দিয়েছেন, সেগুলো নিয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটিতে বসবো। আলাপ ও আলোচনার ভিত্তিতেই স্ট্যান্ডিং কমিটি আইনটিকে চূড়ান্ত করবে। তবে চূড়ান্তভাবে সংসদে উপস্থাপনের আগে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আমরা আরো একবার বসব।

বৈঠকে সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল এবং বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাটকো’র সিনিয়র সহসভাপতি ও ৭১ টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভেড়ামারায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা, অবহিতকরণ সভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

‘আইনটি হবে জনবান্ধব ও মিডিয়াবান্ধব’

প্রকাশিত : ০১:৩৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই ২০১৮

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগের কোন কারণ নেই। এই আইনটি হবে জনবান্ধব ও মিডিয়াবান্ধব। সংসদের আগামী অধিবেশনে আইনটি পাস হতে পারে।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতা খর্ব করে কোন আইন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রণয়ন করবে না।

তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি এখনও পরিস্কারভাবে বলছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কিছুতেই বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সংবিধানে যে বাক স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতার উল্লেখ আছে সেটাকে খর্ব করে কোন আইন প্রণয়ন করবে না, করবে না, করবে না।

আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনটি বর্তমানে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটিতে আছে। ব্যাপক আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আইনটিকে জনবান্ধব করতেই দফায় দফায় সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছি। স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকেও সাংবাদিক নেতারা দুবার অংশ নিয়েছেন। আজকের বৈঠকেও ওই আইনের খুঁটিনাটি বিষয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক নেতারা অনেক প্রস্তাব দিয়েছেন, সেগুলো নিয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটিতে বসবো। আলাপ ও আলোচনার ভিত্তিতেই স্ট্যান্ডিং কমিটি আইনটিকে চূড়ান্ত করবে। তবে চূড়ান্তভাবে সংসদে উপস্থাপনের আগে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আমরা আরো একবার বসব।

বৈঠকে সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ডেইলি স্টার পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল এবং বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাটকো’র সিনিয়র সহসভাপতি ও ৭১ টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।