০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

অপহরণকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

টঙ্গী থেকে অপহরণকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ। রববিার উত্তরা কামারপাড়া ও টঙ্গী এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হল- সবুজ (৪২), বশির (৩০), ফারুক (৩৬), লাভলু (৪০) ও জালাল মিয়া (৩৬)।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ বিস্তারিত বলেন ডিএমপি’র ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।

ঘটনা সম্পর্কে ডিসি ওয়ারী বলেন, ভিকটিম আঃ হক রাজ (৬১) শাহ্ সিমেন্ট কোম্পানীতে এস.আর পদে চাকুরী করেন। গত ১২ জুলাই আশা নামের এক মেয়ে তাকে ফোন করে কনষ্টাকশনের সাইটের জন্য অনেক সিমেন্ট লাগবে বলে গেন্ডারিয়া থানাধীন সোনালী নুপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে নিয়ে আসে এবং কনষ্টাকশনের সাইটের লোকজনের সাথে কথা বলার জন্য টঙ্গী থানাধীন দত্ত পাড়ার একটি ৩তলা বাসায় নিয়ে যায়। উক্ত বাসায় পূর্ব হতে অবস্থান নেয়া আসামিরা ভিকটিম রাজকে জোড় করে আটকে রেখে ভয়ভীতি ও মারধর করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে ২ লক্ষ টাকা বিকাশের মাধ্যমে আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পুলিশের তৎপরতায় ভিকটিমকে নিয়ে আসামিরা স্থান পরিবর্তন করে।

পরবর্তীতে গত ১৫ জুলাই ভিকটিমকে তুরাগ থানাধীন কামার পাড়ার জালাল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে এবং মুক্তিপণের টাকার জন্য নির্যাতন করে। গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ রাত অনুমান সাড়ে ৯টার সময় জালালের বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। এ সময় বশির, ফারুক, জালালকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে টঙ্গী হতে সবুজ ও লাভলুকে গ্রেফতার করা হয়।

এই সংক্রান্তে গেন্ডারিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার পলাতক আসামি আশাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিসি ওয়ারী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

অপহরণকারী চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৩:০০:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮

টঙ্গী থেকে অপহরণকারী চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ। রববিার উত্তরা কামারপাড়া ও টঙ্গী এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হল- সবুজ (৪২), বশির (৩০), ফারুক (৩৬), লাভলু (৪০) ও জালাল মিয়া (৩৬)।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিং-এ বিস্তারিত বলেন ডিএমপি’র ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।

ঘটনা সম্পর্কে ডিসি ওয়ারী বলেন, ভিকটিম আঃ হক রাজ (৬১) শাহ্ সিমেন্ট কোম্পানীতে এস.আর পদে চাকুরী করেন। গত ১২ জুলাই আশা নামের এক মেয়ে তাকে ফোন করে কনষ্টাকশনের সাইটের জন্য অনেক সিমেন্ট লাগবে বলে গেন্ডারিয়া থানাধীন সোনালী নুপুর কমিউনিটি সেন্টারের সামনে নিয়ে আসে এবং কনষ্টাকশনের সাইটের লোকজনের সাথে কথা বলার জন্য টঙ্গী থানাধীন দত্ত পাড়ার একটি ৩তলা বাসায় নিয়ে যায়। উক্ত বাসায় পূর্ব হতে অবস্থান নেয়া আসামিরা ভিকটিম রাজকে জোড় করে আটকে রেখে ভয়ভীতি ও মারধর করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে ২ লক্ষ টাকা বিকাশের মাধ্যমে আনার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পুলিশের তৎপরতায় ভিকটিমকে নিয়ে আসামিরা স্থান পরিবর্তন করে।

পরবর্তীতে গত ১৫ জুলাই ভিকটিমকে তুরাগ থানাধীন কামার পাড়ার জালাল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে এবং মুক্তিপণের টাকার জন্য নির্যাতন করে। গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ রাত অনুমান সাড়ে ৯টার সময় জালালের বাসা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে। এ সময় বশির, ফারুক, জালালকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের দেওয়া তথ্য মতে টঙ্গী হতে সবুজ ও লাভলুকে গ্রেফতার করা হয়।

এই সংক্রান্তে গেন্ডারিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার পলাতক আসামি আশাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিসি ওয়ারী।