০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উৎস বেসরকারি খাত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেছেন, বেসরকারি খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি প্রধান উৎস হতে পারে। সম্পদের সুষম ব্যবহার ও অপচয় রোধ প্রয়োজন। এজন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে ব্যাংকিং খাতে সাইবার অপরাধ ও ক্রিপ্টোকারেন্সির (অবৈধ কারেন্সি) লেনদেনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন এ সময়ে।

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধবিষয়ক এক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের নিয়ে ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়। বিএফআইইউর মহাব্যবস্থাপক এবিএম জহুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বিএফআইইউ প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান।

গভর্নর বলেন, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রায় ২০ বছরে জিডিপিতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। ২০২০ সালে জিডিপিতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ২৬ দশমিক ছয় শতাংশ। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। কনফারেন্সের বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য রাখেন বিএফআইইউয়ের পরামর্শক দেব প্রসাদ দেবনাথ, ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ব্যাংক এশিয়ার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন।

এছাড়া ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী ও ইস্টার্ন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার কনফারেন্সে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উৎস বেসরকারি খাত

প্রকাশিত : ০৯:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেছেন, বেসরকারি খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি প্রধান উৎস হতে পারে। সম্পদের সুষম ব্যবহার ও অপচয় রোধ প্রয়োজন। এজন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে ব্যাংকিং খাতে সাইবার অপরাধ ও ক্রিপ্টোকারেন্সির (অবৈধ কারেন্সি) লেনদেনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন এ সময়ে।

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধবিষয়ক এক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের নিয়ে ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তা জানানো হয়। বিএফআইইউর মহাব্যবস্থাপক এবিএম জহুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বিএফআইইউ প্রধান আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান।

গভর্নর বলেন, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের মাধ্যমে বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রায় ২০ বছরে জিডিপিতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। ২০২০ সালে জিডিপিতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ধরা হয়েছে ২৬ দশমিক ছয় শতাংশ। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। কনফারেন্সের বিভিন্ন সেশনে বক্তব্য রাখেন বিএফআইইউয়ের পরামর্শক দেব প্রসাদ দেবনাথ, ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ব্যাংক এশিয়ার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ বোরহানউদ্দিন।

এছাড়া ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরফান আলী ও ইস্টার্ন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার কনফারেন্সে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।