প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কবিগুরুর ভাষায় বলতে চাই, ‘এ মনিহার আমার নাহি সাজে।’ শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণসংবর্ধনায় তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সংবর্ধনা আমার প্রয়োজন নেই। আমি জনগণের সেবক। আমি এই সংবর্ধনা বাংলার মানুষকে উৎসর্গ করলাম। জনগণের জন্য কাজ করতে এসেছি। জনগণ কতটুকু পেল সেটাই আমার কাছে বিবেচ্য বিষয়। এর বাইরে আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, বাংলার মানুষ যেন অন্ন পায়, বস্ত্র পায়, বাসস্থান ও শিক্ষা পায় সেটাই আমার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণ করাই আমার লক্ষ্য।
বাংলার মানুষ যেন অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান পায়, উন্নত জীবন পায়- সেটাই তার জীবনের লক্ষ্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি জনগণের সেবক। জনগণের জন্যই কাজ করতে এসেছি। জনগণ কী পেল, সেটাই আমার কাছে বিবেচ্য। এ ছাড়া আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই আমার।
এর আগে বেলা সাড়ে ৩টায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অনুষ্ঠান মঞ্চে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। আগে থেকেই অতিথি মঞ্চে আসন নেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের সিনিয়র নেতা ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হতে থাকেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। ঢাক-ঢোল পিটিয়ে, লাল-সবুজের রঙিন পোশাক পরে উদ্যানে আসেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। জয় বাংলা ও শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নামে নানা স্লোগানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয় গোটা এলাকায়।
সমাবেশ প্যান্ডেলটি কয়েকটি অংশে ভাগ করা। প্যান্ডেলের বিভিন্ন অংশে স্থাপন করা হয় বড় বড় প্রজেক্টর। উদ্যান এলাকার পাশাপাশি রাজধানীর বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, পল্টন, বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ, জাতীয় সংসদ ভবন, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় নানা ধরনের সাজসজ্জা করা হয়। জাঁকজমক সাজসজ্জার মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় নৌকার প্রতিকৃতি।






















