০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বেড়েছে

উদ্বোধনের পর থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বাড়ছে। প্রতি বছর টোল আদায়ের পরিমাণ বাড়লেও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা রেকর্ড ৫৪১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সেতুটিতে টোল আদায় গত অর্থবছরই প্রথমবারের মতো ৫০০ কোটি টাকা ছাড়ায়। এ সময় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। এছাড়া গত অর্থবছর সেতুটিতে যানবাহন পারাপারও রেকর্ড ৫৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর সেতুটির টোল আদায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে প্রায় দেড় বছরেও তা কার্যকর করা যায়নি।

এটি নিয়ে কিছুটা সংশয়ে রয়েছে সেতু বিভাগ। কারণ ৪০ শতাংশ টোলহার বৃদ্ধি আদায় পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চাওয়া হলেও তার সম্মতি পায়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে বর্ধিত টোলহার কার্যকর করার বিষয়টি ঝুলে আছে। সেতু বিভাগের তথ্যমতে, ২০১১-১২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সেবার সেতুটিতে টোল আদায় হয় ৩০৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। পরের অর্থবছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে টোল আদায় কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৩২৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে সেবার তিন মাস সেতুতে যান চলাচল কমে যাওয়ার প্রভাবে টোল আদায় হ্রাস পেয়েছিল। এদিকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে টোল আদায়ে আবারও গতি আসে।

সে অর্থবছর সেতুটিতে টোল আদায় হয় ৩৪৯ কোটি তিন লাখ টাকা। আর ২০১৫-১৬ অর্থবছর টোল আদায় প্রথমবারের মতো ৪০০ কোটি টাকা অতিক্রম করে। সেবার বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪০২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ টোল আদায় বেড়েছিল ১৫ দশমিক ২৮ শতাংশ বা ৫৩ কোটি ৩৩ লাখ। সেটিই ছিল সেতুটিতে টোল আদায়ের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। পরের অর্থবছর টোল আদায় বৃদ্ধির হার আরও বাড়ে ২০ দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ৮২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধির এটিই সর্বোচ্চ পরিমাণ। এতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৮৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর গত অর্থবছর তা প্রথমবারের মতো ৫০০ কোটি টাকা ছাড়াল। জানতে চাইলে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে গাড়ি চলাচলের পরিমাণ কয়েক বছর ধরে বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত অর্থবছর সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ গাড়ি চলাচল করে।

এর ফলে টোল আদায় বেড়েছে। এছাড়া নতুন একটি প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানে সেতুতে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা টোল আদায়ে নতুন প্রযুক্তি স্থাপন করেছে। এতে সেতুতে টোল ফাঁকি দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাবেও টোল আদায় বেড়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৬, আগের অর্থবছর যা ছিল ৫৩ লাখ ৮৩ লাখ ১১৯। এছাড়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪৮ লাখ সাত হাজার ৯১৫টি ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪২ লাখ সাত হাজার ৭৫টি যানবাহনের সেতু পারাপার হয়। এর আগে বঙ্গবন্ধু সেতুতে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা ৪০ লাখেরও কম ছিল। এদিকে গত বছর ২৩ মার্চ সেতুটিতে টোলের হার বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেন অর্থমন্ত্রী। সে সময় সেতুটিতে যানবাহনভেদে ৩৮ থেকে ৪২ শতাংশ টোল হার বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া নতুন অন্তর্ভুক্তি হিসেবে চার এক্সেল ও এর অধিক এক্সেলযুক্ত ট্রেইলারকে পৃথক টোলের আওতায় আনা হয়।

এছাড়া মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় আগামী বছর থেকে প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে টোল বাড়ানোর প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতুতে মোটরসাইকেলে টোল আদায় করা হয় ৪০ টাকা, হালকা যান (প্রাইভেট কার, জিপ, পিকআপ, মাইক্রোবাস) ৫০০, ছোট বাস ৬৫০, বড় বাস ৯০০, ছোট ট্রাক ৮৫০, মাঝারি ট্রাক এক হাজার ১০০ ও বড় ট্রাকে এক হাজার ৪০০ টাকা। নতুন হার কার্যকর হলে টোলের পরিমাণ দাঁড়াবে মোটরসাইকেলে ৫৫ টাকা, হালকা যানে ৭০০, ছোট বাসে ৯০০, বড় বাসে এক হাজার ২৫০, ছোট ট্রাকে এক হাজার ২০০, মাঝারি ট্রাকে এক হাজার ৫৫০ ও বড় ট্রাকে দুই হাজার টাকা। এর বাইরে চার এক্সেল পর্যন্ত ট্রেইলারে চার হাজার এবং এর বেশি হলে প্রতি এক্সেলের জন্য অতিরিক্ত এক হাজার ৫০০ টাকা হারে টোল দিতে হবে। তবে টোলের হার বৃদ্ধির এ হার কার্যকর করা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে খোদ সেতু বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১৯৯৮ সালে উদ্বোধনের ১৩ বছর পর প্রথম টোলহার বাড়ানো হয়।

২০১১ সালে ৩৫ শতাংশ টোল বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল সেতু বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয় তা কমিয়ে ২০ শতাংশ অনুমোদন করে। আর প্রধানমন্ত্রী তা আরও কমিয়ে মাত্র ১২ শতাংশ টোল বৃদ্ধির অনুমোদন দেন। এবার ৪০ শতাংশ প্রস্তাব করলে পুরোটাই অনুমোদন করেন অর্থমন্ত্রী। তবে এতটা টোল বৃদ্ধি কার্যকর করা কঠিন। এজন্য প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। তবে তিনি এ প্রস্তাব অনুমোদন করেননি। জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। এখনও তার অনুমোদন পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর বর্ধিত টোলহার কার্যকর করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তশালী হলে জাতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী হবে: ফারজানা শারমিন পুতুল

বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বেড়েছে

প্রকাশিত : ১০:৩৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জুলাই ২০১৮

উদ্বোধনের পর থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বাড়ছে। প্রতি বছর টোল আদায়ের পরিমাণ বাড়লেও ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা রেকর্ড ৫৪১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সেতুটিতে টোল আদায় গত অর্থবছরই প্রথমবারের মতো ৫০০ কোটি টাকা ছাড়ায়। এ সময় বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। এছাড়া গত অর্থবছর সেতুটিতে যানবাহন পারাপারও রেকর্ড ৫৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এদিকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর সেতুটির টোল আদায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে প্রায় দেড় বছরেও তা কার্যকর করা যায়নি।

এটি নিয়ে কিছুটা সংশয়ে রয়েছে সেতু বিভাগ। কারণ ৪০ শতাংশ টোলহার বৃদ্ধি আদায় পরিস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন চাওয়া হলেও তার সম্মতি পায়নি কর্তৃপক্ষ। ফলে বর্ধিত টোলহার কার্যকর করার বিষয়টি ঝুলে আছে। সেতু বিভাগের তথ্যমতে, ২০১১-১২ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। সেবার সেতুটিতে টোল আদায় হয় ৩০৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। পরের অর্থবছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে টোল আদায় কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৩২৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে সেবার তিন মাস সেতুতে যান চলাচল কমে যাওয়ার প্রভাবে টোল আদায় হ্রাস পেয়েছিল। এদিকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে টোল আদায়ে আবারও গতি আসে।

সে অর্থবছর সেতুটিতে টোল আদায় হয় ৩৪৯ কোটি তিন লাখ টাকা। আর ২০১৫-১৬ অর্থবছর টোল আদায় প্রথমবারের মতো ৪০০ কোটি টাকা অতিক্রম করে। সেবার বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪০২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ টোল আদায় বেড়েছিল ১৫ দশমিক ২৮ শতাংশ বা ৫৩ কোটি ৩৩ লাখ। সেটিই ছিল সেতুটিতে টোল আদায়ের সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। পরের অর্থবছর টোল আদায় বৃদ্ধির হার আরও বাড়ে ২০ দশমিক ৪৫ শতাংশ বা ৮২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধির এটিই সর্বোচ্চ পরিমাণ। এতে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৮৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আর গত অর্থবছর তা প্রথমবারের মতো ৫০০ কোটি টাকা ছাড়াল। জানতে চাইলে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে গাড়ি চলাচলের পরিমাণ কয়েক বছর ধরে বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত অর্থবছর সেতুতে রেকর্ড পরিমাণ গাড়ি চলাচল করে।

এর ফলে টোল আদায় বেড়েছে। এছাড়া নতুন একটি প্রতিষ্ঠানকে বর্তমানে সেতুতে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা টোল আদায়ে নতুন প্রযুক্তি স্থাপন করেছে। এতে সেতুতে টোল ফাঁকি দেওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাবেও টোল আদায় বেড়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা ছিল ৫৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৬, আগের অর্থবছর যা ছিল ৫৩ লাখ ৮৩ লাখ ১১৯। এছাড়া ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪৮ লাখ সাত হাজার ৯১৫টি ও ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৪২ লাখ সাত হাজার ৭৫টি যানবাহনের সেতু পারাপার হয়। এর আগে বঙ্গবন্ধু সেতুতে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা ৪০ লাখেরও কম ছিল। এদিকে গত বছর ২৩ মার্চ সেতুটিতে টোলের হার বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেন অর্থমন্ত্রী। সে সময় সেতুটিতে যানবাহনভেদে ৩৮ থেকে ৪২ শতাংশ টোল হার বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া নতুন অন্তর্ভুক্তি হিসেবে চার এক্সেল ও এর অধিক এক্সেলযুক্ত ট্রেইলারকে পৃথক টোলের আওতায় আনা হয়।

এছাড়া মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় আগামী বছর থেকে প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ হারে টোল বাড়ানোর প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতুতে মোটরসাইকেলে টোল আদায় করা হয় ৪০ টাকা, হালকা যান (প্রাইভেট কার, জিপ, পিকআপ, মাইক্রোবাস) ৫০০, ছোট বাস ৬৫০, বড় বাস ৯০০, ছোট ট্রাক ৮৫০, মাঝারি ট্রাক এক হাজার ১০০ ও বড় ট্রাকে এক হাজার ৪০০ টাকা। নতুন হার কার্যকর হলে টোলের পরিমাণ দাঁড়াবে মোটরসাইকেলে ৫৫ টাকা, হালকা যানে ৭০০, ছোট বাসে ৯০০, বড় বাসে এক হাজার ২৫০, ছোট ট্রাকে এক হাজার ২০০, মাঝারি ট্রাকে এক হাজার ৫৫০ ও বড় ট্রাকে দুই হাজার টাকা। এর বাইরে চার এক্সেল পর্যন্ত ট্রেইলারে চার হাজার এবং এর বেশি হলে প্রতি এক্সেলের জন্য অতিরিক্ত এক হাজার ৫০০ টাকা হারে টোল দিতে হবে। তবে টোলের হার বৃদ্ধির এ হার কার্যকর করা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে খোদ সেতু বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১৯৯৮ সালে উদ্বোধনের ১৩ বছর পর প্রথম টোলহার বাড়ানো হয়।

২০১১ সালে ৩৫ শতাংশ টোল বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল সেতু বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয় তা কমিয়ে ২০ শতাংশ অনুমোদন করে। আর প্রধানমন্ত্রী তা আরও কমিয়ে মাত্র ১২ শতাংশ টোল বৃদ্ধির অনুমোদন দেন। এবার ৪০ শতাংশ প্রস্তাব করলে পুরোটাই অনুমোদন করেন অর্থমন্ত্রী। তবে এতটা টোল বৃদ্ধি কার্যকর করা কঠিন। এজন্য প্রস্তাবটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। তবে তিনি এ প্রস্তাব অনুমোদন করেননি। জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। এখনও তার অনুমোদন পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর বর্ধিত টোলহার কার্যকর করা হবে।