০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
অর্থ আত্মসাৎ মামলা

ছেলেসহ খালাস পেলেন সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • ইমরান মাসুদ
  • প্রকাশিত : ০৩:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪
  • 206

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তার ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক লাইন ডিরেক্টর ডা. মাহবুবুর রহমানকে খালাস দিয়েছেন আদালত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তার ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক লাইন ডিরেক্টর ডা. মাহবুবুর রহমানকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেমের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয়া হয়।


অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান ওই মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পরস্পর যোগসাজশে আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্পভুক্ত বিদেশে গমনেচ্ছু কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিমানের টিকিট সরবরাহের বিষয়ে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সাজানো টেন্ডারের মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হন সরকারের ৪৮ লাখ ৫১ হাজার ৮০ টাকা ক্ষতি করে। আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

অর্থ আত্মসাৎ মামলা

ছেলেসহ খালাস পেলেন সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

প্রকাশিত : ০৩:৫১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৪

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তার ছেলে খন্দকার মাহবুব হোসেন ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক লাইন ডিরেক্টর ডা. মাহবুবুর রহমানকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেমের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয়া হয়।


অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান ওই মামলাটি করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পরস্পর যোগসাজশে আসামিরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ও বিশ্ব ব্যাংকের প্রকল্পভুক্ত বিদেশে গমনেচ্ছু কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিমানের টিকিট সরবরাহের বিষয়ে প্রতারণা, জালিয়াতি ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সাজানো টেন্ডারের মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হন সরকারের ৪৮ লাখ ৫১ হাজার ৮০ টাকা ক্ষতি করে। আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

এর আগে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।