শীতকালীন সবজিতে ভরপুর বাজার,শীতের সবজি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এবং উৎপাদন বেশি হওয়ায় দাম স্বাভাবিক রয়েছে সব ধরনের সবজির।
এ দিকে শীতকালীন সবজি উৎপাদনে ভোর থেকেই জমিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা। সাতকানিয়ার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, হাতের নাগালে রয়েছে সবজির দাম, তবে কৃষকরা বলছেন ভিন্ন কথা, সবজি চাষে তাদের শ্রম, সার, বীজ, পানি সেচ সহ বিভিন্ন খরচ যেমন হয় সেই তুলনায় আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন না তারা, এ নিয়ে হতাশার গল্প যেন শেষ হবার নয়।
বাজারে শীতকালীন সবজি শিম প্রতিকেজি ৬০ টাকা, মুলা ২০ /৩০ টাকা,বাঁধাকপি ৩০ টাকা,ফুলকপি ৪০ টাকা। এছাড়া টমেটো ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা,দেশী শশা ৬০ টাকা,নতুন আলু ৬০ টাকা,গাঁজর ৬০/৮০ টাকা,বরবটি ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০/৩৫ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজার আগের মতোই রয়েছে, মুরগীর বাজারে সোনালি মুরগী ২৮০ টাকা, লাল মুরগী ৩১০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৯০/২০০ টাকা, লাল ডিম ১১/১২টাকা সাদা ডিম ১১ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০/৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কেরানীহাট বাজারে সবজি ক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন,শীতকালীন সব ধরনের সবজির দাম হাতের লাগালে রয়েছে,সাতকানিয়ার অনেক এলাকাতে সবজি চাষ হচ্ছে, যার কারণে কম দামে এবং তরতাজা সবজি বাজারে মিলছে, সবজি দাম ঠিক আছে তবে ব্রয়লার মুরগীর দাম একটু বেশি।
ঢেমশা এলাকার কৃষক বদিউল আলম বলেন,শীত মৌসুমে বিভিন্ন রকম শাক- সবজির চাষ করেছেন তিনি উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে ইউরিয়া সার ১০ কেজি, টিএসপি ১০ কেজি, এবং লাউ বীজ, টমেটো বীজ, মরিচ বীজ ও চার প্রকারের শাকের বীজ এবং মোবাইলে ১ হাজার টাকা পেয়েছেন তারা।
উপজেলা কৃষি অফিসার মনিরুজ্জামান জানান, এই শীতের মৌসুমে সাতকানিয়াতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০০ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। এবার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২২৩ হেক্টর। গত বছর শীত মৌসুমে আবাদ হয়েছিল ২২১৩ হেক্টর।এছাড়াও আবাদ চলমান রয়েছে, কৃষি অফিস থেকে ২৫০০ জন কৃষককে সবজির পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় সবজির বীজ, সার ও পরিচর্যার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্টে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো জানান, সব ইউনিয়নেই কিছু কিছু সবজি চাষ হয়। তবে পুরানগড়, ছদাহা, খাগরিয়া, চরতী, বাজালিয়া, কালিয়াইশ, কাঞ্চনা, ধর্মপুর, সোনাকানিয়াতে সবজির আবাদ বেশি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ডিএস






















