কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইউনিয়নের গাজীপুর দয়াল বাবা সালাম শাহ মাজার শরীফ নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে রাজিব আহমেদ নামের কথিত অনলাইন এ্যাক্টিভিটসের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে মাজার প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলেন এ অভিযোগ করেন কর্তৃপক্ষ।এতে লিখিত বক্তব্য রাখেন মাজারের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আজাদ টিটু। উপস্থিত ছিলেন সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ খান, ক্যাশিয়ার রফিকুল ইসলাম, মুতওয়াল্লী মো. শুক্কুর, খাদেম মহসিন, মো. মোস্তফা, অডিটর নাছির উদ্দিন, সহ সভাপতি কাদির মেম্বার, সহ কোষাধ্যক্ষ সুমন, তোফাজ্জল প্রমুখ। সাংবািদকদের প্রশ্নের জবাবে কর্তৃপক্ষ বলেন, একটি কুচক্রী মহলের ইন্দনে ওই ফেসবুক আইডি ও তার পরিচালিত পেইজে মাজারের টাকা হিসাব করার ভিডিও দিয়ে মাজারের টাকা আত্মসাৎ শিরোনামে অপপ্রচার করেছে। অথচ মাজারের টাকা থাকে ক্যাশিয়ারের নিকট। ভক্তবৃন্দের দৈনন্দিন খাবার ও পরিচালনা এবং মাজারের উন্নয়নে সে টাকা ব্যয় হয়। সভাপতি সবার পরামর্শক্রমে পরিচালনা করেন মাত্র। মাজারের আর্থিক স্বচ্ছতার জন্য ৫ সদস্যের অডিট কমিটিও রয়েছে। অথচ সভাপতিকে জড়িয়ে অর্থলুটের মিথ্যাচার করে মাজারের সুনাম নষ্ট করার অপচেষ্টা হচ্ছে।
মূলত অপপ্রচারকারী রাজিব একজন প্রতারক। তিনি তার এলাকা নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন ও আশেপাশের এলাকার লোকজনকে সিঙ্গাপুরে নেয়ার প্রলোভনে বিপুল টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ এর মামলাও চলমান। প্রবাসে বসে বিভিন্ন অপকর্ম করেছেন।
সিঙ্গাপুরে ধর্ষণ মামলায় জেলে ছিলেন।ইতোমধ্যে সে তার ফেসবুক আইডি ও পেইজে দেশের সম্মানিত রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে। দয়াল বাবা সালাম শাহ মাজার ও সভাপতিকে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট এ ভিডিও তার অপপ্রচারেরই অংশ মাত্র।
তারা জানান ৫ আগস্টের পর নতুন কমিটি হওয়ার পর থেকেই মাজারের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে।
মাজারের পেছনে যে নতুন ভবন ও খানকাহ এর উপরে নতুন শেড নির্মাণ করেছেন নতুন পরিচালনা কমিটি।আমাদের মাজারের নতুন সভাপতি আকুবপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম সাহেবের আন্তরিকতা ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে এ মাজারে নতুন ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে। মাজারে মসজিদ ছিলো না। নতুন সভাপতি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। এবং মাজার সংলগ্ন মাদ্রাসা নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গেলো এক যুগের তুলনায় মাজারে উল্লেখ্যযোগ্য উন্নয়ন হয়েছে ৫ আগেস্টর পর নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে। অথচ কথিত অনলাইন এ্যাক্টিভিটিষ্ট প্রতারক ও ধর্ষক রাজিব আহমেদ উন্নয়নকে ধামাচাপা দিতে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা-বানোয়াট অভিযোগ উপস্থাপন করে ভিডিও বানিয়েছেন। যাতে সত্যের লেশমাত্র নেই।আমরা এমন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলন শেষে মাজারের সমানের সড়কে মানববন্ধন করে এলাকাবাসী ও ভক্তরা।






















