০৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

তিস্তা মহাপরিকল্পনা,শিল্পায়ন কর্মসংস্থানের দাবি

রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও বৈষম্য নিরসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সমাজ,রাজনীতি বিশ্লেষক ঢাকা্ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ্ ড.আব্দুল্লাহ আল মামুন।তিনি বলেন রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে কৃষি,শিল্পায়ন, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাত চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকার পর প্রতিটি জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় করে সমস্যাগুলো একীভূত করার পরিকল্পনা চলছে।আগামী বাজেটের আগে । এই অঞ্চলের বৈষম্য নিরসনে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার দাবি তুলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর ক্যাসপিয়া রেস্টুরেন্ট হল রুমে সাংবাদিকের সাথে এসব কথা বলেন।তিনি বলেন পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংসদের অধিকার আদায়ের জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বারবার ব্যর্থতার জন্য আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।চীন-ভারতের ভূরাজনৈতিক বৈরী সম্পর্ক নয়,বরং স্থানীয় রাজনৈতিকদের উদাসীনতাকে দায়ী করা হয়েছে।গণমাধ্যমকর্মীসহ সকল শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন ড.আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি মনে করেন, জনগণের শক্তিশালী আওয়াজ এবং নির্বাচিত সরকারের সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়া-১ আসনে নিরাপত্তা শঙ্কা: ১৩৫ কেন্দ্রের ৬৬টিই ঝুঁকিপূর্ণ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা,শিল্পায়ন কর্মসংস্থানের দাবি

প্রকাশিত : ০৯:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও বৈষম্য নিরসনে জোরালো পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সমাজ,রাজনীতি বিশ্লেষক ঢাকা্ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ্ ড.আব্দুল্লাহ আল মামুন।তিনি বলেন রংপুর অঞ্চলের উন্নয়নে কৃষি,শিল্পায়ন, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন খাত চিহ্নিত করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকার পর প্রতিটি জেলা পর্যায়ে মতবিনিময় করে সমস্যাগুলো একীভূত করার পরিকল্পনা চলছে।আগামী বাজেটের আগে । এই অঞ্চলের বৈষম্য নিরসনে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার দাবি তুলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর ক্যাসপিয়া রেস্টুরেন্ট হল রুমে সাংবাদিকের সাথে এসব কথা বলেন।তিনি বলেন পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংসদের অধিকার আদায়ের জন্য গাইডলাইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বারবার ব্যর্থতার জন্য আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।চীন-ভারতের ভূরাজনৈতিক বৈরী সম্পর্ক নয়,বরং স্থানীয় রাজনৈতিকদের উদাসীনতাকে দায়ী করা হয়েছে।গণমাধ্যমকর্মীসহ সকল শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন ড.আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি মনে করেন, জনগণের শক্তিশালী আওয়াজ এবং নির্বাচিত সরকারের সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।