০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দর্শকদের আশাহত করেছে চিটাগাং কিংস ও তামিম 

চট্টগ্রামে ক্রিকেট ম্যাচ মানেই গ্যালারি ভর্তি দর্শক। সেটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হোক আর ঘরোয়া লিগের ম্যাচ হোক। আর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের ম্যাচ হলে তো কথাই নেই। চট্টগ্রামের মাটিতে ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে আর মাঠে দর্শক আসবেন না তা কি হয়। ব্যতিক্রম হয়নি এবারো, গ্যালারি ভর্তি দর্শক চট্টগ্রামে। বিপিএল উৎসবে মাতে চট্টগ্রামের ক্রিকেটপ্রেমী দর্শক। প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে প্রিয় দলের সমর্থনে মাঠে ছুটে গিয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের শেষ দিন। গতকাল ছিল চট্টগ্রাম পর্বে স্বাগতিক চিটাগাং কিংসের শেষ ম্যাচ। একই দিনে ম্যাচ ছিল চট্টগ্রামের সন্তান তামিম ইকবালের দলেরও। তাই দর্শকদের আকর্ষন ছিল বেশি। একই দিনে একটি প্রিয় দল আর একজন প্রিয় ক্রিকেটারের সাফল্য দেখা যাবে। তাইতো সেই সকাল থেকেই দর্শকরা ভীড় করতে থাকে সাগরিকাস্থ জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। এবারের বিপিএলে শুরুটা হার দিয়ে করলেও ঢাকা এবং সিলেট মিলে টানা তিন ম্যাচে জিতে নিজেদের ভেন্যু চট্টগ্রামে এসেছিল চিটাগাং কিংস।
এসেই তারা ঘোষনা দিয়েছিল নিজেদের মাঠে যে পাঁচটা ম্যাচ রয়েছে তার সবগুলোই জিততে চায়। শুরুটাও করেছিল কিংস দুর্দান্ত। নিজেদের মাঠে প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করেছিল। কিন্তু পরের দুই ম্যাচে বরিশাল এবং রংপুরের কাছে হেরে যায়। আর সে দুই হারের প্রভাব পড়ে গ্যালারীতেও। চিটাগাং কিংসের আগের ম্যাচে তেমন দর্শক হয়নি গ্যালারীতে। কিন্তু সে ম্যাচটি জিতে নেওয়ায় আবার আগ্রহ বাড়ে দর্শকদের। ফলে গতকাল প্রিয় দলের শেষ ম্যাচটি দেখতে উপচে পড়ে বিড় করে দর্শকরা।
কিন্তু হতাশ হতে হয়েছে তাদের। কারন নিজেদের মাঠে শেষ ম্যাচটিতেও হেরে গেছে চিটাগাং কিংস। তাও এবারের বিপিএলের সব চেয়ে বেশি ম্যাচ হারা দল ঢাকা ক্যাপিটালসের কাছে। ফলে উৎসব করতে এসে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয় দর্শকদের। ব্যাটে বলে দর্শকদের হতাশ করেছে চিটাগাং কিংস। নিজেদের মাঠে তিনটি আর ঢাকায় একটি মিলিয়ে মোট চার ম্যাচে হেরেছে চিটাগাং কিংস ৯ ম্যাচের মধ্যে। ফলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে নেমে গেছে তারা। নানা রঙের জার্সি আর ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে খেলাদেখতে আসা দর্শকদের আশাহত করেছে চিটাগাং কিংস। কারন একরাশ হতাশা নিয়েই যে তাদের প্রিয় দলকে বিদায় জানাতে হয়েছে বিপিএলের ঢাকার শেষ পর্বের জন্য। তারপরও সমর্থকদের আশা অন্তত ঢাকায় গিয়ে আবার স্বরূপে ফিরবে চিটাগাং কিংস। আর বাকি ম্যাচ গুলো জিতে কোয়ালিফায়ারে খেলবে মিথুন–শরীফুলরা।
এদিকে দিনের প্রথম ম্যাচে চিটাগাং কিংস হারলেও দর্শকরা কিন্তু মাঠে বসে ছিল পরের ম্যাচে আনন্দ করার আশায়। কারণ পরের ম্যাচটাতে যে খেলতে নামবে চট্টগ্রামের সন্তান তামিম ইকবাল। তার দল ফরচুন বরিশালকে অনেকেই সমর্থন না করলেও তামিমের জন্য মাঠে আসেন দর্শকরা। কিন্তু সে তামিমও হতাশ করল চট্টগ্রামের দর্শকরদের। বলা যায় গতকাল যেন দর্শকদের পয়সাও জলে গেল। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমেছিল বরিশাল। আর বরিশাল প্রথমে ব্যাট করা মানে তামিম ইনিংস ওপেন করতে নামা। তুমুল হর্ষধ্বনীতে ড্রেসিং রুম থেকে মাঠে প্রবেশ করেন তামিম। কিন্তু মুহূর্তেই সে হর্ষধ্বনিকে থামিয়ে দিলেন দেশের সেরা এই ব্যাটার। খুলনার হয়ে ইনিংসের প্রথম ওভারটা করছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম বলটি খেললেন তাওহিদ হৃদয়। একরান নিয়ে তিনি প্রান্ত বদল করলেন। দ্বিতীয় বলটি মোকাবেলা করতে এলেন তামিম। কিন্তু প্রথম বলটি তার প্যাডে আঘাত করল। খুলনার বোলার এবং ফিল্ডারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আম্পায়ার সৈকত আঙ্গুল তুলে জানিয়ে দিলেন তামিম আউট। বিষন্ন মনে তামিম ফিরছেন ড্রেসিং রুমের দিকে। আর জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গ্যালারীতে যেন নেমে এলো নিরব নিস্তব্ধতা। আনন্দটাই যেন মাটি হয়ে গেল দর্শকদের। তামিমকে হারানোর পরের বলেই ইংলিশ ক্রিকেটার ডেভিড মালানকেও হারায় বরিশাল। ফলে ব্যাটিং ঝড়টা একরকম ফিকে হয়ে যায়। আর দর্শকরাও যেন ধীরে ধীরে স্টেডিয়াম ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে থাকে। কারণ একদিনেই যে দর্শকদের ডাবল হতাশা দেখতে হলো।
অপরদিকে খুলনা টাইগার্স। শেষ চারের পথে এগিয়ে যাওয়ার বেশ ভাল সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেটাকে কাজে লাগাতে পারেনি খুলনার ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার নাঈম শেখের ধীর গতির ব্যাটিং ম্যাচ হারের অন্যতম কারণ। শেষ পর্যন্ত হারতে হলো খুলনাকে। যদিও নাঈম শেষ দিকে বেশ মারমুখি হওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পারলেন না দলকে জেতাতে। দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরেছে খুলনা টাইগার্স। এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ফরচুন বরিশাল।
শেষ দুই ওভারে খুলনার দরকার পড়ে ৩৫ রানের। ফাহিম আশরাফের করা ১৯ তম ওভার থেকে ১০ আসে। ফলে শেষ ওভারে দরকার খুলনার ২৫ রান। রিপন মন্ডলের করা ওভারের প্রথম বল ডট। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলকে সীমানা পার করে দুটি ছক্কা মারেন নাঈম। চতুর্থ বলে নাঈমকে ফেরান রিপন মন্ডল। ৫৯ বলে ৭৭ রান করে ফিরেন নাঈম। পঞ্চম বলে চার মারেন আমির জামাল। শেষ বলে দরকার ৯ রান। কিন্তু নিতে পেরেছেন এক রান। ফলে ৭ রানে হেরে নিজেদের শেষ চারে যাওয়া কঠিন করে তুলল খুলনা। ম্যাচ সেরা হন ফরচুন বরিশালের রিশাদ হোসেন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডাচ বাংলা ব্যাংকের এসএভিপি ও হালিশহর শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ ফিরোজ আলম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, বিসিবি পরিচালক মনজুর আলম মঞ্জু এবং ফরচুন বরিশালের ওনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
আজকের খেলা: দুর্বার রাজশাহী–রংপুর রাইডার্স (দুপুর ১: ৩০টা), খুলনা টাইগার্স–সিলেট স্ট্রাইকার্স (সন্ধ্যা ৬: ৩০টা)।
ডিএস//
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিএনপি নেতা পারভেজ মল্লিকের হাত ধরে ছাত্রদলে বৈষম্যবিরোধী নেতা ইকরামুল

দর্শকদের আশাহত করেছে চিটাগাং কিংস ও তামিম 

প্রকাশিত : ১১:১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
চট্টগ্রামে ক্রিকেট ম্যাচ মানেই গ্যালারি ভর্তি দর্শক। সেটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হোক আর ঘরোয়া লিগের ম্যাচ হোক। আর চট্টগ্রামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-বিপিএলের ম্যাচ হলে তো কথাই নেই। চট্টগ্রামের মাটিতে ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে আর মাঠে দর্শক আসবেন না তা কি হয়। ব্যতিক্রম হয়নি এবারো, গ্যালারি ভর্তি দর্শক চট্টগ্রামে। বিপিএল উৎসবে মাতে চট্টগ্রামের ক্রিকেটপ্রেমী দর্শক। প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে প্রিয় দলের সমর্থনে মাঠে ছুটে গিয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের শেষ দিন। গতকাল ছিল চট্টগ্রাম পর্বে স্বাগতিক চিটাগাং কিংসের শেষ ম্যাচ। একই দিনে ম্যাচ ছিল চট্টগ্রামের সন্তান তামিম ইকবালের দলেরও। তাই দর্শকদের আকর্ষন ছিল বেশি। একই দিনে একটি প্রিয় দল আর একজন প্রিয় ক্রিকেটারের সাফল্য দেখা যাবে। তাইতো সেই সকাল থেকেই দর্শকরা ভীড় করতে থাকে সাগরিকাস্থ জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। এবারের বিপিএলে শুরুটা হার দিয়ে করলেও ঢাকা এবং সিলেট মিলে টানা তিন ম্যাচে জিতে নিজেদের ভেন্যু চট্টগ্রামে এসেছিল চিটাগাং কিংস।
এসেই তারা ঘোষনা দিয়েছিল নিজেদের মাঠে যে পাঁচটা ম্যাচ রয়েছে তার সবগুলোই জিততে চায়। শুরুটাও করেছিল কিংস দুর্দান্ত। নিজেদের মাঠে প্রথম ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করেছিল। কিন্তু পরের দুই ম্যাচে বরিশাল এবং রংপুরের কাছে হেরে যায়। আর সে দুই হারের প্রভাব পড়ে গ্যালারীতেও। চিটাগাং কিংসের আগের ম্যাচে তেমন দর্শক হয়নি গ্যালারীতে। কিন্তু সে ম্যাচটি জিতে নেওয়ায় আবার আগ্রহ বাড়ে দর্শকদের। ফলে গতকাল প্রিয় দলের শেষ ম্যাচটি দেখতে উপচে পড়ে বিড় করে দর্শকরা।
কিন্তু হতাশ হতে হয়েছে তাদের। কারন নিজেদের মাঠে শেষ ম্যাচটিতেও হেরে গেছে চিটাগাং কিংস। তাও এবারের বিপিএলের সব চেয়ে বেশি ম্যাচ হারা দল ঢাকা ক্যাপিটালসের কাছে। ফলে উৎসব করতে এসে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয় দর্শকদের। ব্যাটে বলে দর্শকদের হতাশ করেছে চিটাগাং কিংস। নিজেদের মাঠে তিনটি আর ঢাকায় একটি মিলিয়ে মোট চার ম্যাচে হেরেছে চিটাগাং কিংস ৯ ম্যাচের মধ্যে। ফলে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিনে নেমে গেছে তারা। নানা রঙের জার্সি আর ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে খেলাদেখতে আসা দর্শকদের আশাহত করেছে চিটাগাং কিংস। কারন একরাশ হতাশা নিয়েই যে তাদের প্রিয় দলকে বিদায় জানাতে হয়েছে বিপিএলের ঢাকার শেষ পর্বের জন্য। তারপরও সমর্থকদের আশা অন্তত ঢাকায় গিয়ে আবার স্বরূপে ফিরবে চিটাগাং কিংস। আর বাকি ম্যাচ গুলো জিতে কোয়ালিফায়ারে খেলবে মিথুন–শরীফুলরা।
এদিকে দিনের প্রথম ম্যাচে চিটাগাং কিংস হারলেও দর্শকরা কিন্তু মাঠে বসে ছিল পরের ম্যাচে আনন্দ করার আশায়। কারণ পরের ম্যাচটাতে যে খেলতে নামবে চট্টগ্রামের সন্তান তামিম ইকবাল। তার দল ফরচুন বরিশালকে অনেকেই সমর্থন না করলেও তামিমের জন্য মাঠে আসেন দর্শকরা। কিন্তু সে তামিমও হতাশ করল চট্টগ্রামের দর্শকরদের। বলা যায় গতকাল যেন দর্শকদের পয়সাও জলে গেল। খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমেছিল বরিশাল। আর বরিশাল প্রথমে ব্যাট করা মানে তামিম ইনিংস ওপেন করতে নামা। তুমুল হর্ষধ্বনীতে ড্রেসিং রুম থেকে মাঠে প্রবেশ করেন তামিম। কিন্তু মুহূর্তেই সে হর্ষধ্বনিকে থামিয়ে দিলেন দেশের সেরা এই ব্যাটার। খুলনার হয়ে ইনিংসের প্রথম ওভারটা করছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম বলটি খেললেন তাওহিদ হৃদয়। একরান নিয়ে তিনি প্রান্ত বদল করলেন। দ্বিতীয় বলটি মোকাবেলা করতে এলেন তামিম। কিন্তু প্রথম বলটি তার প্যাডে আঘাত করল। খুলনার বোলার এবং ফিল্ডারদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আম্পায়ার সৈকত আঙ্গুল তুলে জানিয়ে দিলেন তামিম আউট। বিষন্ন মনে তামিম ফিরছেন ড্রেসিং রুমের দিকে। আর জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গ্যালারীতে যেন নেমে এলো নিরব নিস্তব্ধতা। আনন্দটাই যেন মাটি হয়ে গেল দর্শকদের। তামিমকে হারানোর পরের বলেই ইংলিশ ক্রিকেটার ডেভিড মালানকেও হারায় বরিশাল। ফলে ব্যাটিং ঝড়টা একরকম ফিকে হয়ে যায়। আর দর্শকরাও যেন ধীরে ধীরে স্টেডিয়াম ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে থাকে। কারণ একদিনেই যে দর্শকদের ডাবল হতাশা দেখতে হলো।
অপরদিকে খুলনা টাইগার্স। শেষ চারের পথে এগিয়ে যাওয়ার বেশ ভাল সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেটাকে কাজে লাগাতে পারেনি খুলনার ব্যাটাররা। বিশেষ করে ওপেনার নাঈম শেখের ধীর গতির ব্যাটিং ম্যাচ হারের অন্যতম কারণ। শেষ পর্যন্ত হারতে হলো খুলনাকে। যদিও নাঈম শেষ দিকে বেশ মারমুখি হওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু পারলেন না দলকে জেতাতে। দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও শেষ পর্যন্ত ৭ রানে হেরেছে খুলনা টাইগার্স। এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো ফরচুন বরিশাল।
শেষ দুই ওভারে খুলনার দরকার পড়ে ৩৫ রানের। ফাহিম আশরাফের করা ১৯ তম ওভার থেকে ১০ আসে। ফলে শেষ ওভারে দরকার খুলনার ২৫ রান। রিপন মন্ডলের করা ওভারের প্রথম বল ডট। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বলকে সীমানা পার করে দুটি ছক্কা মারেন নাঈম। চতুর্থ বলে নাঈমকে ফেরান রিপন মন্ডল। ৫৯ বলে ৭৭ রান করে ফিরেন নাঈম। পঞ্চম বলে চার মারেন আমির জামাল। শেষ বলে দরকার ৯ রান। কিন্তু নিতে পেরেছেন এক রান। ফলে ৭ রানে হেরে নিজেদের শেষ চারে যাওয়া কঠিন করে তুলল খুলনা। ম্যাচ সেরা হন ফরচুন বরিশালের রিশাদ হোসেন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন ডাচ বাংলা ব্যাংকের এসএভিপি ও হালিশহর শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ ফিরোজ আলম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, বিসিবি পরিচালক মনজুর আলম মঞ্জু এবং ফরচুন বরিশালের ওনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
আজকের খেলা: দুর্বার রাজশাহী–রংপুর রাইডার্স (দুপুর ১: ৩০টা), খুলনা টাইগার্স–সিলেট স্ট্রাইকার্স (সন্ধ্যা ৬: ৩০টা)।
ডিএস//