চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে মণপ্রতি চিনির দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। এ জন্য সরবরাহ ঘাটতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাতকে দুষছেন ব্যবসায়ীরা। এখন থেকেই দাম বৃদ্ধির কারণে সামনে রমজানের বাজার নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন ভোক্তারা।দেশের ভোগ্যপণ্যের বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে দুই সপ্তাহের মধ্যে চিনির দাম বেড়েছে মণপ্রতি ২০০ টাকা।
চিনি উৎপাদকেরা অনেক দিন ধরে বলছিলেন যে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির মূল্যবৃদ্ধি ও দেশে টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারে চিনির দাম বেড়েছে। চিনি আমদানিতে উচ্চ হারে নানা ধরনের শুল্ক-কর আরোপ ছিল, ফলে দেশের বাজারে চিনির দাম প্রতিবেশী দেশের চেয়ে অনেক বেশি।এমন প্রেক্ষাপটে গত ৮ অক্টোবর পরিশোধিত ও অপরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক ৩০ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করে এনবিআর। এরপর পরিশোধিত চিনির সরবরাহ আরও বাড়াতে ১৭ অক্টোবর পরিশোধিত চিনির ওপর বিদ্যমান আমদানি শুল্কে ছাড় দেয় সংস্থাটি। তাতে প্রতি টন চিনি আমদানিতে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ৬ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সরকারের প্রত্যাশা ছিল, এতে চিনির মূল্য সহনশীল পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মাসের শুরুতে প্রতিমণ চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৭০০ টাকায়। কিন্তু দুই সপ্তাহে তা বেড়ে হয়েছে ৮৯০০ টাকা। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের আভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ কম থাকায় মিল থেকেই বাড়ানো হয়েছে চিনির দাম।ভোক্তারা বলছেন, আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে সুযোগ নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এ জন্য এখনই বাজারে দরকার কঠোর নজরদারি।
ডিএস../




















